''মুসলিম
বিশ্বে সফল হতে হলে আমাদেরকে মহিলাদের হিজাব অপসারণ করে সেটা দিয়ে কোরআনকে
ঢেকে রাখার বেবস্থা করতে হবে।''(উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোন, ব্রিটিশ
প্রধানমন্ত্রী ১৮৯৪)
সেই থ্বেকে এখন পর্যন্ত কাফেরা দুটি বিষয়কে নিজেদের স্থায়ী এজেন্ডার মধ্যে শামিল করে নিয়েছে-
এক, কোরআনকে বাস্তব জগতের সাথে সম্পর্কহীন স্রেফ একটি আধ্যাত্মিক পুস্তকে পরিণত করা।
দুই, মহিলাদের তাদের আসল স্থান থেকে বের করে এনে মুসলিম সমাজে নৈতিক বিপর্যয় তৈরি করা।
এবং এই অবস্থা ধরে রাখার জন্য এখনো কাফেররা দিবানিশি তাদের মেধা, শ্রম এবং অর্থ খরচ করে যাচ্ছে।
যার মৃত্যুতে আল্লাহ্ সুবহানাহুওয়াতা’আলার আরশ কেঁপে উঠেছিল :
সাদ ইবনে মুয়ায (রাঃ) ছিলেন মদিনার বনু আওস গোত্রের অন্যতম প্রধান। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদিনায় প্রথম খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আনসারদের অন্যতম নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-কে নুসরাহ্ (ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা) প্রদান করেন। ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সহায়তাকারী এই আনসাররাই ছিল প্রথম খিলাফত রাষ্ট্রের প্রথম সেনাবাহিনী যার অন্যতম প্রধান ছিলেন সাদ ইবনে মুয়ায (রাঃ)।
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় রাসূল (সাঃ) পক্ষে বিভিন্ন সামরিক অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে ইসলামের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন, ইসলামের কালিমা খচিত পতাকা উড়িয়েছিলেন সুউচ্চে। সাদ (রা.) কে বলা হয় একজন অদম্য, ন্যায়পরায়ন এবং একাগ্রচিত্ত ব্যক্তিত্ব, যিনি ইসলামের জন্য যুদ্ধ করতে মরিয়া হয়ে থাকতেন। তিনি, রাসূল (সাঃ) এর সান্নিধ্য পাওয়া সম্মানিত সাহাবীদের একজন হিসেবে গণ্য।
জাবির (রা.) হতে বর্ণিত :
“আমি রাসূল (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘সাদ ইবনে মুয়ায এর মৃত্যুতে দয়াময় আল্লাহ্র আরশ কেঁপে উঠেছিল’।”
[সহীহ্ বুখারী: খন্ড ৫, বই ৫৮, নম্বর ১৪৭]
হে ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তিবর্গ!
এই একবিংশ শতাব্দীর অত্যাচারী শাসকদের যুলুমের চিরসমাপ্তি ঘটাতে আজ আরও একজন সাদ ইবনে মুয়ায -এর খুবই প্রয়োজন, যিনি খিলাফত রাষ্ট্র (আল্লাহ্র বিধান) পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নুসরাহ্ (ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা) প্রদান করবেন।
এবং ইনশা’আল্লাহ্, আল্লাহ্ সুবহানাহুওয়া তাআলা তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করবেন...
আমিন।
শাহ আব্দুল আযীয মোহাদ্দিসে দেহলবির ঐতিহাসিক ফতোয়া ঃ ভারত 'দারুল হরব' ১৮০৩ সাল । ইংরেজরা বিজয়ের বেশে দিল্লীতে প্রবেশ করল । প্রবেশ করেই দিল্লীর সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে জোরপূর্বক এই চুক্তিতে স্বাক্ষর আদায় করে নিলো যে, ' সৃষ্টি আল্লাহর, সাম্রাজ্য সম্রাট বাহাদুরের, কিন্তু আইন-কানুন চলবে বৃটিশ কোম্পানীর' এই চুক্তি দ্বারা ভারতবর্ষ থেকে ইসলামী আইন-কানুনের যবনিকা শুরু হলো, আর মানবরচিত কুফরি আইনের আগ্রাসন শুরু হলো । ব্যস, তখনকার শ্রেষ্ট আলেম শাহ আব্দুল আযীয মোহাদ্দিসে দেহলভি রাহ. ভারতকে দারুল হরব বলে ফতোয়া জারী করলেন । ফতোয়াটি ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছিল । ফতোয়াটির ১৭ নম্বর পৃষ্টার উর্দু থেকে বঙ্গানুবাদ দেওয়া হলো । … এই শহরে ইমামুল মুসলিমীনের আদেশ মোটেও প্রয়োগ হচ্ছে না, অথচ খৃষ্টান অফিসারদের নির্দেশাবলী বিনা-বাধায় বাস্তবায়ন হচ্ছে, কুফরের আইন চলার অর্থ এই যে রাষ্ট্রপরিচালনা, প্রজাদের নিয়ম-কানুন, খেরাজ, উশর ব্যবসার পণ্য, চোর-ডাকাতদের থেকে রক্ষাণাবেক্ষণের নিয়ম-কানুন, মামলাসমুহের রায় এবং অপরাধীদের শাস্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাফিরই শাসনকর্তা হিসেবে নির্ধারিত হয়ে গেলো । এখানে যদিও তারা কিছু ইসলামী আহকাম যেমন- জুমআ, দুনো ঈদের আযান এবং গাভী কুরবানীর ক্ষেত্রে (আপাতত) কোনো বাধা দিচ্ছে না, কিন্তু এই বিষয়সমুহের গোড়ার মূলনীতি (অর্থাত দ্বীনি স্বাধীনতা এবং ইসলামি নিদর্শনসমুহের মূল্যায়ন) তাদের দৃষ্টিতে প্রকৃতপক্ষে অহেতুক এবং অবান্তর ।'(উলামায়ে হিন্দ কা শানদার মাযী, ২/৮৬, থেকে তেহরীকে আযাদী / মুফতি সায়্যিদ সালমান মনসুরপুরি, ১৮-১৯) এই ফতোয়ার পর শুরু হলো ইংরেজবিরোধী জিহাদ । একে একেঘটে গেলো বালাকোট, শামেলীর ইমারাহ ইসলামিয়্যাহ এবং রেশমী রুমাল আন্দোলন । ইনশা-আল্লাহ পর্যায়ক্রমে সবটির উপর আলোকপাত করা হবে । যদি আমরা এই ফতোয়ার উপর একটু নেত্রপাত করি তাহলে কয়েকটি প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবো । ১- ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত দিল্লীতে মুসলিম মোঘল সম্রাটরা ছিলেন তাহলে কেনো এই ফতোয়া ? ২- দেশের শাসক যদি মুসলিম নামধারী তাগুত হয় আর আইন-কানুন যদি বৃটেশের হয় তাহলে কি তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা বৈধ ? ৩- ইসলাম কি শুধু সালাত-সিয়াম এবং জুমআ ও দুনো ঈদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ?
সেই থ্বেকে এখন পর্যন্ত কাফেরা দুটি বিষয়কে নিজেদের স্থায়ী এজেন্ডার মধ্যে শামিল করে নিয়েছে-
এক, কোরআনকে বাস্তব জগতের সাথে সম্পর্কহীন স্রেফ একটি আধ্যাত্মিক পুস্তকে পরিণত করা।
দুই, মহিলাদের তাদের আসল স্থান থেকে বের করে এনে মুসলিম সমাজে নৈতিক বিপর্যয় তৈরি করা।
এবং এই অবস্থা ধরে রাখার জন্য এখনো কাফেররা দিবানিশি তাদের মেধা, শ্রম এবং অর্থ খরচ করে যাচ্ছে।
যার মৃত্যুতে আল্লাহ্ সুবহানাহুওয়াতা’আলার আরশ কেঁপে উঠেছিল :
সাদ ইবনে মুয়ায (রাঃ) ছিলেন মদিনার বনু আওস গোত্রের অন্যতম প্রধান। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদিনায় প্রথম খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আনসারদের অন্যতম নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-কে নুসরাহ্ (ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা) প্রদান করেন। ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সহায়তাকারী এই আনসাররাই ছিল প্রথম খিলাফত রাষ্ট্রের প্রথম সেনাবাহিনী যার অন্যতম প্রধান ছিলেন সাদ ইবনে মুয়ায (রাঃ)।
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় রাসূল (সাঃ) পক্ষে বিভিন্ন সামরিক অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে ইসলামের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন, ইসলামের কালিমা খচিত পতাকা উড়িয়েছিলেন সুউচ্চে। সাদ (রা.) কে বলা হয় একজন অদম্য, ন্যায়পরায়ন এবং একাগ্রচিত্ত ব্যক্তিত্ব, যিনি ইসলামের জন্য যুদ্ধ করতে মরিয়া হয়ে থাকতেন। তিনি, রাসূল (সাঃ) এর সান্নিধ্য পাওয়া সম্মানিত সাহাবীদের একজন হিসেবে গণ্য।
জাবির (রা.) হতে বর্ণিত :
“আমি রাসূল (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘সাদ ইবনে মুয়ায এর মৃত্যুতে দয়াময় আল্লাহ্র আরশ কেঁপে উঠেছিল’।”
[সহীহ্ বুখারী: খন্ড ৫, বই ৫৮, নম্বর ১৪৭]
হে ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তিবর্গ!
এই একবিংশ শতাব্দীর অত্যাচারী শাসকদের যুলুমের চিরসমাপ্তি ঘটাতে আজ আরও একজন সাদ ইবনে মুয়ায -এর খুবই প্রয়োজন, যিনি খিলাফত রাষ্ট্র (আল্লাহ্র বিধান) পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নুসরাহ্ (ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা) প্রদান করবেন।
এবং ইনশা’আল্লাহ্, আল্লাহ্ সুবহানাহুওয়া তাআলা তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করবেন...
আমিন।
শাহ আব্দুল আযীয মোহাদ্দিসে দেহলবির ঐতিহাসিক ফতোয়া ঃ ভারত 'দারুল হরব' ১৮০৩ সাল । ইংরেজরা বিজয়ের বেশে দিল্লীতে প্রবেশ করল । প্রবেশ করেই দিল্লীর সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে জোরপূর্বক এই চুক্তিতে স্বাক্ষর আদায় করে নিলো যে, ' সৃষ্টি আল্লাহর, সাম্রাজ্য সম্রাট বাহাদুরের, কিন্তু আইন-কানুন চলবে বৃটিশ কোম্পানীর' এই চুক্তি দ্বারা ভারতবর্ষ থেকে ইসলামী আইন-কানুনের যবনিকা শুরু হলো, আর মানবরচিত কুফরি আইনের আগ্রাসন শুরু হলো । ব্যস, তখনকার শ্রেষ্ট আলেম শাহ আব্দুল আযীয মোহাদ্দিসে দেহলভি রাহ. ভারতকে দারুল হরব বলে ফতোয়া জারী করলেন । ফতোয়াটি ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছিল । ফতোয়াটির ১৭ নম্বর পৃষ্টার উর্দু থেকে বঙ্গানুবাদ দেওয়া হলো । … এই শহরে ইমামুল মুসলিমীনের আদেশ মোটেও প্রয়োগ হচ্ছে না, অথচ খৃষ্টান অফিসারদের নির্দেশাবলী বিনা-বাধায় বাস্তবায়ন হচ্ছে, কুফরের আইন চলার অর্থ এই যে রাষ্ট্রপরিচালনা, প্রজাদের নিয়ম-কানুন, খেরাজ, উশর ব্যবসার পণ্য, চোর-ডাকাতদের থেকে রক্ষাণাবেক্ষণের নিয়ম-কানুন, মামলাসমুহের রায় এবং অপরাধীদের শাস্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাফিরই শাসনকর্তা হিসেবে নির্ধারিত হয়ে গেলো । এখানে যদিও তারা কিছু ইসলামী আহকাম যেমন- জুমআ, দুনো ঈদের আযান এবং গাভী কুরবানীর ক্ষেত্রে (আপাতত) কোনো বাধা দিচ্ছে না, কিন্তু এই বিষয়সমুহের গোড়ার মূলনীতি (অর্থাত দ্বীনি স্বাধীনতা এবং ইসলামি নিদর্শনসমুহের মূল্যায়ন) তাদের দৃষ্টিতে প্রকৃতপক্ষে অহেতুক এবং অবান্তর ।'(উলামায়ে হিন্দ কা শানদার মাযী, ২/৮৬, থেকে তেহরীকে আযাদী / মুফতি সায়্যিদ সালমান মনসুরপুরি, ১৮-১৯) এই ফতোয়ার পর শুরু হলো ইংরেজবিরোধী জিহাদ । একে একেঘটে গেলো বালাকোট, শামেলীর ইমারাহ ইসলামিয়্যাহ এবং রেশমী রুমাল আন্দোলন । ইনশা-আল্লাহ পর্যায়ক্রমে সবটির উপর আলোকপাত করা হবে । যদি আমরা এই ফতোয়ার উপর একটু নেত্রপাত করি তাহলে কয়েকটি প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবো । ১- ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত দিল্লীতে মুসলিম মোঘল সম্রাটরা ছিলেন তাহলে কেনো এই ফতোয়া ? ২- দেশের শাসক যদি মুসলিম নামধারী তাগুত হয় আর আইন-কানুন যদি বৃটেশের হয় তাহলে কি তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা বৈধ ? ৩- ইসলাম কি শুধু সালাত-সিয়াম এবং জুমআ ও দুনো ঈদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ?