ফিরে দেখা ৯০ বছর(সংক্ষিপ্ত)
এটা একেবারেই সন্দেহাতীত যে ১৯২৪ সালে খিলাফত ধ্বংস হওয়া ছিল মুসলিম
উম্মাহ'র ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষতি। উম্মাহ'র এই ক্ষতি আজ পর্যন্ত অপূরনীয়ই
রয়ে গেছে। খিলাফাহ যে শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্যই সুখকর ছিল তা নয়, বরং
খিলাফাহ'র সুশাসন ব্যবস্থা অনেক পুঁজিবাদী ও পশ্চিমা ধ্যানধারণার
ব্যক্তিদেরও অবাক করেছে।
আধুনিক অর্থব্যবস্থার জনক এডাম স্মিথ:
"...the empire of the Caliphs seems to have been the first state under
which the world enjoyed that degree of tranquility which the cultivation
of the sciences requires. It was under the protection of those generous
and magnificent princes, that the ancient philosophy and astronomy of
the Greeks were restored and established in the East; that tranquility,
which their mild, just and religious government diffused over their
vast empire, revived the curiosity of
mankind, to inquire into the connecting principles of nature."
** Adam Smith, ‘History of Astronomy’, The Essays of Adam Smith (London, 1869), p. 353"
ধ্বংসের পূর্বে এটা সুস্পষ্ট ছিল খিলাফত খুব শীঘ্রই একক সুপার পাওয়ারে
পরিণত হতে যাচ্ছে তেলের কারণে, যে কারণে কুফর শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে এতে হামলা
করে এবং তাদের শত বছরের চক্রান্ত বাস্তবায়ন করে।
খিলাফতের abolishment এর ৯০ বছরের summary আজ কিছু পয়েন্ট তুলে ধরতে চেষ্টা করব।
১. ৩রা মার্চ, ১৯২৪ সাল, সোমবার(২৮সশে রজব, ১৩৪২ হিজরী)। বিশ্ব এই সংবাদ
শুনে জেগে উঠল মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের ইস্তাম্বুলে খিলাফতের
বিলুপ্তি ঘোষণা করেছে। সেই রাতে(২রা মার্চ) আবদুল মজিদ(২য়), সর্বশেষ
খলীফাকে অবরুদ্ধ করে একটি সুটকেসে কিছু কাপড় ও টাকা দিয়ে নির্বাসনে পাঠানো
হয়। তুরস্ককে ১৯২৩ সালের ২৫শে জুলাই sign করা lausanne চুক্তির আদলে
স্বাধীন ঘোষণা করা হয়। ব্রিটেন এবং এর মিত্রশক্তিরা এদের সৈন্য প্রত্যাহার
করে নেয়; যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে বলবৎ ছিল। এবং এই
প্রেক্ষিতে house of common -এ ব্রিটিশ পররাস্ট্র সেক্রেটারি লর্ড কার্জনের
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠলে সে জবাব দেয়,
"বাস্তবতা এমন যে, তুরস্ক
আজ মৃত, আর কখনো সে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। কারণ, আমরা তার নৈতিক
শক্তিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, আর তার নৈতিক শক্তি ছিল খিলাফত ব্যবস্থা ও
ইসলাম।’
লর্ড কার্জন সতর্ক করে বলে, "আমাদের সে সব বিষয়গুলোও ধ্বংস করতে হবে যা মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে। "
কার্জনের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি ৬ অক্টোবর, ২০০৫ আমরা ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রসচিব চার্লস
ক্লার্কের হেরিটেজ ফাউন্ডেশন (British Home Secretary Charles Clarke) বক্তব্যের মাঝেও পাই।
"খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শরিয়া আইন বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো আলোচনা হতে
পারে না ঐ পথে হাঁটার ব্যাপারে মুসলিমদের হুশিয়ারি করা হয়েছে।”
২. বর্তমান মুসলিম বিশ্বে বিভেদ, অভাব এবং যুলুম হল খিলাফতের অনুপস্থিতি
এবং পশ্চিমাদের মুসলিমদের নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পলিসির ফসল। ব্রিটিশ
প্রধানমন্ত্রী হেনরি ব্যানারম্যান ১৯০৬ সালে ওয়েস্টার্ন পলিসিতে বলেছিল,
"মুসলিমরা বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রত্যক্ষ এবং গোপন সম্পদসমূহ
নিয়ন্ত্রণ করছে। আন্তঃবিশ্বের যোগাযোগের মূল রুটগুলোও তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন।
তাদের ভূমিসমূহ মানবসভ্যতা এবং ধর্মসমূহের উকর। এইসকল লোকদের একটা
বিশ্বাস, একটাই ভাষা, একটাই ইতিহাস, এবং একই উচ্চাভিলাষ। কোন প্রাকৃতিক
প্রতিবন্ধকতায় এদের একে অপর থেকে পৃথক করতে পারেনা..... যদি কোন প্রেক্ষিতে
এই জাতিসমূহ একটি রাস্ট্রে পরিণত হয়; এটি তখন সমগ্র বিশ্বের ভাগ্য আপন
হাতে নিয়ে নিবে এবং ইউরোপকে সমগ্র বিশ্ব থেকে আলাদা করে ফেলবে। এইসকল বিষয়
বিবেচনার প্রেক্ষিতে একটি foreign গ্রুপ তাদের অভ্যন্তরে প্রেরণ করা উচিত,
যাতে করে এর এক ধাপ এগিয়ে থাকা ডানাসমূহকে প্রতিরোধ করা যায় এমনভাবে যাতে
এটি এক শেষ না হওয়ার যুদ্ধে জড়ানোর মাধ্যমে নিজের ক্ষমতাকে নিঃশেষ করে দেয়।
এটি(গ্রুপ) পশ্চিমাদের লোভনীয় লক্ষ্য অর্জনে বসন্ত আবাস আকারেও প্রমাণিত
হতে পারে।"
বৃটেন এবং ফ্রান্স মুসলিম বিশ্বকে artificial বর্ডার দ্বারা ভাগ করেছে এবং এই পলিসি আজও আমাদের বিভক্ত করে রেখেছে।
৩. ব্রিটেন ও ফ্রান্স উভয়ে তাদের দালাল শাসক রেখে যায়, যারা ক্রমাগত
পশ্চিমাদের পৃষ্ঠোপোষকতায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। ডেভিড ফ্রমক্লিন,
ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর অর্থনৈতিক ইতিহাসের অধ্যাপক নিম্নোক্তভাবে বিষয়টি
তুলে ধরেন,
"অটোমান সাম্রাজ্যের(উসমানীয় খিলাফত) বিপুল পরিমাণের সম্পদ
এখন এর বিজয়ীরা(পশ্চিমাশক্তি) নিজেদের দাবি করে। কিন্তু মনে রাখা দরকার
ইসলামী সাম্রাজ্য শতাব্দী অবদি খ্রিস্টান অধ্যুষিত ইউরোপ বিজয়ের চেষ্টা
করেছে এবং ক্ষমতার বাটোয়ারাকারীরে এইসকল পরাজিতদের(মুসলিম) ব্যাপারে
সাধারণভাবে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে এই রাস্ট্রসমূহ কখনোই সংগঠিত হতে এবং পশ্চিমা
স্বার্থকে ভীতি প্রদর্শন করতে সক্ষম হবে না। শতাব্দী ধরে অর্জিত
মার্কেন্টাইলিস্ট অভিজ্ঞতা দ্বারা বৃটেন এবং ফ্রান্স ক্ষুদ্র, অস্থিতিশীল
রাস্ট্র তৈরি করেছে, যার শাসকদের ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে এদের সমর্থন
দরকার। এইসকল রাস্ট্রের উন্নতি এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণাধীন এবং তারা
পশ্চিমাদের প্রতি হুমকি হিসেবে পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। এই বহির্শক্তিরা তখন
তাদের বসানো পুতুল শাসকদের সাথে আরব সম্পদ স্বল্পমূল্যে ক্রয়ের চুক্তি করে,
দ্রুততার সাথে সামন্ততান্ত্রিক উচ্চবর্গের/ধনী লোক তৈরি করতে থাকে যখন
অধিকাংশ জনগণই দারিদ্রতায় পর্যবসিত।"
৪. খিলাফতের বিলুপ্তি এবং
পরবর্তীতে মুসলিম ভূমি থেকে colonialism এর অবসান দেখে অনেকে খুশি হলেও
উম্মাহ মূলত জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, মুক্তবাজার এবং
সৈরতন্ত্রের মত আন-ইসলামিক বিষ দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়েছিল। এসব কিছুই
উম্মাহকে পরাজয় এবং দাসত্বের দিকে ধাবিত করেছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত
ইউনিয়নের পতন এবং কমিউনিজমের অবসানের পর ইসলাম ও পুঁজিবাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব
সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৫. প্রচন্ড রকমের ঔপনিবেশিক আক্রমণ সত্বেও
বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ ইসলাম পরিত্যাগ করেনি। পশ্চিমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা
সত্বেও তারা মুসলিমদের ইসলামের সামাজিক ব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে দূরে সরাতে
পারেনি। এই উম্মাহ ইসলামের অনেকাংশই ধরে রেখেছিল এবং বিভিন্ন ঘাত
প্রতিঘাতেও তারা তা পরিত্যাগ করেনি; যদিও উপোরক্ত ব্যাপারগুলোতে তাদের
সুস্পষ্ট জ্ঞান/ধারণার অনুপস্থিতি ছিল। একবিংশ শতাব্দীতে এসে উম্মাহ এবং
পশ্চিমাদের দালাল শাসকদের মাঝে সম্পর্কের ফাটল ধরতে শুরু করে এবং দুরত্ব
বাড়তে থাকে। এই শাসকেরা ইসলামের কালচার প্রত্যাখান করে এবং পশ্চিমা
সংস্কৃতি ও এজেন্ডা আলিঙ্গন করে। এটা সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, মুসলিম ভূমিতে
কাদের শাসন অবস্থান করবে এই ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহ এবং শাসকদের মাঝে
মতবিরোধ দেখা দেয় এবং ধীরে ধীরে তা আঞ্চলিক আন্দোলন থেকে বিশ্বব্যাপী
আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
৬. আজ, ধর্মনিরপেক্ষতার মডেলে ডিজাইন করা এক
বিশ্বে মুসলিমরা বাস করছে যেখানে তাদের কোন রাজনৈতিক অধিকার নেই,
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে এবং উচ্চ করের চাপে জীবনযাত্রার মান পঙ্গুত্বের
সমতুল্য এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উম্মাহ'র প্রভাব শূণ্যের মণিকোঠায়। আর
এইসকল ট্র্্যাজেডির পাশাপাশি তারা মুসলিমদের মাঝে কিছু পশ্চিমা
ধ্যান-ধারণাতে বিশ্বাসী সমর্থক সৃষ্টি করেছে; তারা সেক্যুলার সাংবিধানিক
আইনের পক্ষে গলাবাজি করে এবং নগ্নভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভাঙ্গা রেকর্ড
বাজাতে থাকে। তারা ইসলামে কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থা নেই বলে মিথ্যা দাবি করে
এবং খিলাফত একমাত্র ইসলামিক শাসনব্যবস্থা নয় বলে গলাবাজি করে পশ্চিমাদের
রোড-পার্কের সৌন্দর্যের গুণগান গায় আর খোদ পশ্চিমা বিশ্বে পুঁজিবাদের শোষণে
জনগণের আর্তনাদ তাদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করেনা। কিন্তু এই সকল পশ্চিমা
পুতুলেরা বর্তমানে মুসলিম বিশ্বে পুঁজিবাদ ও গণতন্ত্রের প্রত্যাখান দেখে
যারপনাই আশ্চার্যান্বিত এবং বিশ্বজুড়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কুফরের
সাথে সাথে তারাও ভীতসন্ত্রস্ত।
৭. ৯০ বছর পূর্তিতে দেখা যাচ্ছে
পশ্চিমাদের তাদের দালালদের রক্ষার্থে তাদের সমর্থন, অর্থায়ন, অস্ত্র প্রদান
এবং একে একে ব্যর্থ হয়েছে/হচ্ছে। তাদের সর্বশেষ যে চেষ্টা তারা চালিয়েছে
তা হল মুসলিম উম্মাহ'র পুনর্জাগরণ ঠেকাতে উম্মাহ'র মাঝেই ইসলামের কিছু
কনসেপ্ট ব্যবহার করে নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া, যেভাবে শয়তান
সালাতের মাঝে অন্য(ভালো কাজ) কথা স্মরণ করিয়ে সালাত নষ্ট করে এবং মূল কাজ
থেকেই সরিয়ে নিতে যায়। এই চক্রান্তটা আমরা ওয়েস্টার্ন পলিসিতে সুস্পষ্টরূপে
দেখতে পাই, যেটাকে তাদের ভাষায় বলা হয় never ending war. আর এটিই তারা
Islamic Revival ঠেকানোর ষড়যন্ত্র হিসেবেই নিয়েছে।
→ ৯০ বছর হয়ে
গেছে উম্মাহ তার কর্তৃত্ব হারিয়েছে, তার ভূমি, তার সম্পদ, তার রক্ষা ঢাল
খিলাফত হারিয়েছে। তার জীবন আজ কুফরের শেকলে বন্দী। ৯০ বছরের এই অভিভাবকহীন
অবস্থায়ও উম্মাহ মধ্যে নিহিত কল্যাণ দেখিয়েছে বহুবার। বিশ্বজুড়ে আজ এই
খায়রে উম্মাহই কুফরের এইসকল চক্রান্ত অবসানে দৃঢ়ভাবে আন্দোলন করছে।
দালালদের রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছে রাস্তায়, খর্ব করছে পশ্চিমাদের একের পর
এক চক্রান্ত।
আমাদের উপলব্ধি প্রয়োজন শুধুমাত্র Ideology দিয়েই Ideology উৎখাত সম্ভব, অন্যকিছু দ্বারা নয়।
CIA এর বার্ষিক রিপোর্টেও ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে,
"Radical Islam will have a significant global Impact....Rallying
disperate ethnic and national groups and perhaps even creating an
authority that transcends national boundaries... "
এবং সেই sleeping Giant এর জাগ্রত হওয়ার সময় সন্নিকটে....
"...এরপর আবারো আসবে নব্যুয়তের আদলে খিলাফত..." (মুসনাদে আহমদ,৪/২৭৩)
খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার আন্দলরত কয়েকজন বোন। আপনিও অংশগ্রহন করুন ইতিহাস পরিবর্তনে এক আলোকিত বিশ্ব গড়ার আন্দোলনে। Women for Khilafah.
হে মুমিনগণ,,,,,,,,,,,শুনতে কি পান........?
৩
রা মার্চ, ১৯২৪ সালের এই দিনে খিলাফতের আনুষ্ঠানিক অবলুপ্তির ঘোষণা দেয়
আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের শত্রু, বৃটিশ দালাল কামাল আতাতুর্ক।
না..........আজ আর কোন হতাশার বাণী নয়.......... নয় কোন দীর্ঘশ্বাস!
আজ শুধুই কাফিরের চামচাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়ে গর্জে উঠা,
"সারা জাহান জাগছে, খিলাফত আসছে,
মুসলিম উম্মাহ জাগছে, দালালরা ভাগছে"
আসন্ন খিলাফতের শক্তিশালী উত্থানে কুফর রাজাধিরাজরা খিলাফতের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছে। চলুন তাদের মনের ভেতর ঘুরে আসি....
"মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খিলাফতকে মেনে নিবেনা..... উক্ত অঞ্চলের সকল
রাষ্ট্রসমূহের নিরাপত্তা দিতে আমরা অংগীকারবদ্ধ, তবে সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ ঐ
অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। এ ধরণের
উগ্র মতাদর্শের বিস্তার রোধে যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার, মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র তা নেবে।"
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ওয়াশিংটন ডি.সি.
"উগ্র ইসলামপন্থীরা, যারা কিনা অস্ত্রের জোরে ক্ষমতা দখলের ব্যাপারে
হুমকির সৃষ্টি করে চলেছে, তাদের এ অগ্রযাত্রা শুরুতেই রুখে দেয়ার ব্যাপারে
আমরা সকল উপায় অবলম্বন করব। পশ্চিমা সভ্যতা এবং স্বাধীনতার মুল্যবোধের জন্য
হুমকিস্বরূপ, এমন এক রাষ্ট্রের কাছে আমরা জিম্মি হতে পারিনা।"
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী, লন্ডন
"এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহকে খিলাফতের মধ্যে
অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ব্যাপারে আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি। খিলাফত নিজেকে বিশাল
সাম্রাজ্যে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু এর দৃষ্টিভংগীর ভিত্তিসমূহ
অতীতের সাথে সম্পর্কযুক্ত, আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষতার সাথে নয়, এবং আমাদের
মাঝে খিলাফত আমন্ত্রিতও নয়।"
-অষ্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী, ক্যানবেরা।
পুজিবাদ রাখবেন না ইসলাম রাখবেন.?
মানুসিক ও শারীরিক দাসত্বের শিকলে বাধা হয়ে যাওয়ার দিন আজকে. হা আজ 3 মার্চ.1924 সালের এইদিন আধুনিক তুরস্কের জারজ পিতা কামাল আতাতুর্ক
পৃথিবী থেকে খিলাফত শাসন বেবস্থার সমাপ্তি ঘোষণা করেন. যার ফলে পৃথিবী
থেকে মুসলমানদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক সিস্টেম ইসলাম ও রাষ্ট্র বেবস্থা
হারিয়ে যায়.তাই আজ আমরা অনেক শোকাহত, শোকার্ত. কেউ নিরবে কেউ অশ্রু সহ
দিনটি পালন করছি.ইচ্ছা মত কামাল কে ভিবিন্ন ভিবিন্ন উপাধী দিতেছি.কিন্তু
মুল সমস্যা নিয়ে কথা বলছিনা. আসুন দেখি কেন আমরা খিলাফত হারালাম. আমরা জানি
ইসলাম একটা বুদ্ধিবৃতিক বিশ্বাস যার উপর একটা সিস্টেম বা রাষ্ট্র পরিচালনা
করা সকল সমস্যার সমাধান নিয়ে একটা পরিপূর্ণ মাবদা বা জীবনবেবস্থা.ঠিক
তেমনি আল্লাহকে অস্বীকার করা কমিউনিজম বা ধর্মের সাথে কম্পোমাইজ করা
পুজিবাদ ও আদর্শ. একটা বিষয় একটু গভীর ভাবে লক্ষ করেন. দেখেন এই তিনটা
সিস্টেম কিন্তু চিন্তা উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে. ইতিহাস থেকে জানা
যায়..কমিনিউজম ও পুজিবাদ দুই টাই ততকালীন সমাজে বিদমান ধর্মের.ধর্ম গুরুদের
নিজের স্বার্থে বেবহার করে মানুষের উপর প্রচুর জুলুমের ভিত্তিতে উৎপত্তি
হয়েছে.যাদের মাঝে একদল বলছিল ধর্ম হলো সব সমস্যার মূল সুতরাং ধর্ম হলো
আফিমের মত তাই সৃষ্টিকর্ত বাদ. কারন সৃষ্টিকর্ত না থাকলে ধর্ম থাকবেনা.
অন্য দল বলো ধর্ম থাকবে. তবে রাষ্ট্রিয় আইনে না থাকবে নিজের ঘরে ও কিছু
অনুষ্ঠানে.সুতরাং কমিউনিজম, পুজিবাদ, ইসলাম তিন টা জীবন বেবস্থা চিন্তার
উপর ভিত্তি করে দাড়িয়ে আছে. আর জীবন বেবস্থা দুইটা উৎস থেকে আসতে পারে
...এক...কোন অতি বুদ্ধিমান মানুষের মাথা থেকে দুই...পৃথিবী সৃষ্টকারি
আল্লাহর নিকট থেকে. সুতরাং খুব সহজে বুঝা যায় ইসলাম আসছে আল্লাহর পক্ষ থেকে
আর পুজিবাদ ও নাস্তিকবাদ আসছে সীমাবদ্ধ মানুষের মাথা থেকে. এখন কথা হলো
কিভাবে আমরা খিলাফত সিস্টেম হারালাম ..একটা কথা মনে করে দেখুন ..1924 সালে
যখন খিলাফত ধংসের পর তুর্কি কে স্বাধীন দেওয়া হয় তখন বৃটিশ সংসদে লড কার্জন
কে প্রশ্ন করা হইছিল..অন্যান মুসলিম দেশ গুলো আমরা বৃটিশসহ অন্যরা দখল করে
নিচ্ছি.কিন্তু তুর্কি কে কেন স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে. তখন উত্তরে
বলেছিল..আমরা তুর্কির বিশ্বাস ও চিন্তা পরিবর্তন করতে পারছি..তুর্কি
চিন্তার দিক থেকে আর কখন আমাদের জন্য হুমকি না.মানে অবিশপ্ত কামাল ও ইয়াং
তার্ক কে দেয়ে মুসলিমদের ইসলামিক চিন্তার পরিবর্তে সেকুলার চিন্তার
প্রতিষ্ঠিত হয়ছে.মানে তুর্কি জাতি চিন্তা হীন জাতিতে পরিনত হইছে. এখানে
প্রধান বিষয় টা হলো চিন্তা. যেন মুসলিমরা চিন্তা না করে ইসলাম নিয়ে, আল্লাহ
কে নিয়ে, তাদের জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে. এই একটা মাএ কারনে 1924 সালে আমরা
খিলাফত হারিয়েছি এবং আজকে আমেরিকা ভারতের গোলাম হয়ে জীবন যাপন করছি..দুই
ফোটা নাপাক পানি থেকে জন্ম নেওয়া হাসিনা খালেদা কারজাই কিয়ানি আসাদ কাফের
মুশরিক ওবামা, মন মোহন,আমাদের শাসন করছে ......মুসলিম জাতিকে মন হয় একটা
প্রতিবন্ধী জাতি.আজকে মুসলিমরা জানেনা সিডর, সুনামি হলে কি পরিমান খতি
হইছে. আগামী বছর আমরা কি ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করবো.এই সব কিছু আমেরিকা
ভারত আমাদের বলে দেয়.আর আমরা হুকুম পালন করি...তাই আমরা যদি আবার খিলাফত
প্রতিষ্ঠা করতে চাই তাহলে বুদ্ধিবৃতিক ভাবে আমাদের পুজিবাদ কে ভিট করতে হবে
...তাই আজকে মুসলিম তরুণদের প্রতি কিছু প্রশ্ন...............
তোমরা কি কোন মাঠ,এলাকা,পাড়া,থানা, জেলার নেতা হবার স্বাপ্ন দেখ...?
তোমরা কি বাংলাদেশের নেতা হবার স্বাপ্ন দেখ......?
তোমরা কি কোন এক বা একাধিক প্রেমিকার স্বাপ্ন দেখ.....?
তোমরা কি অনেক টাকার স্বাপ্ন দেখ....?
তোমরা কি জান তোমাদের পরিচয় কি....?
তোমরা কি শাহরুখ, সালমান হবার কল্পনা করো....?
তোমরা কি জানো তুমি আমেরিকার গোলাম ও পুজিবাদি পন্যে পরিনত হইছো....?
দেখেন এই পশ্চিমারা ডিভাইড এন্ড রুলের মাধমে আমাদের 53 টা দেশে.দ্বীদলিয়
গ্রুপীংয়ের রাজনতির মাধমে লীগ দল দিয়ে ভাইয়ের ভাইয়ের শত্রু বানিয়ে
রাখছে.হাসিনা খালেদার মত দালাল শাসক দিয়ে আমাদের সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে
যাচ্ছে ......আর ইসলামিক রাষ্ট্র খিলাফত আপনাদের কোন মাঠ এলাকা,পর্যায়ের
নেতা না,একটা ,দুইটা দেশ না সারা বিশ্ব নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তৈরি করবে,
যেমন ভাবে খালেদ,তারিক, কাশেম, সালাউদ্দিন এর মত বীর সেনাপতি ও ওমর,
আযীয,এর মত শাসক তৈরি করে.ইসলামিক হুকুম পালন করে বেহেস্ত লাভ করলে আল্লাহ
এক,দুই, তিন না 70 এর বেশি হুর আল আইন,আঢেল সম্পদ রাখছেন. তাই আজকে শোকের
দিন সিদ্ধান্ত নিন..পৃথিবী নেতৃত্ব দিবেন না গোলাম হয়ে থাকবেন. সারাক্ষণ
চিন্তা করবেন হারাম নিয়ে নাকি চিন্তা করবেন আল্লাহর সন্তুষ্টির. মাথার মাঝে
কি পুজিবাদ রাখবেন না ইসলাম রাখবেন.নিজেদের সময় চিন্তা শক্তি কি ব্যয়
করবেন পুজিবাদ কে টিকিয়ে রেখে পন্য হবার জন্য না ইসলাম কে বিজয় করে সঠিক
পরিচয়ে পরিচিত হবার জন্য. তাই আজকে সঠিক চিন্তা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেন কার
পক্ষ নিবেন তাগুতের না আল্লাহ সুবহানাতায়ালা. কি প্রতিষ্ঠা করবেন হারাম
পুজিবাদি গনতন্ত্রের না ইসলামিক রাষ্ট্র খিলাফতের..
#3rdMarch1924 #bendehilafetistiyorum|This is Mustafa Kemal with his wife, Latife. after destroying the #Caliphate – 3 March 1924 – he was responsible for burying the Islamic civilization from Turkey, and imposing kufr rule over the people.
Mustafa utilized his wife as an example during his campaign to promote
the emancipation of women in Turkey. "That's the way to treat a lady,"
he said, pointing out Latife who stood next to him wearing pants.
But eventually Latife asked to be treated and respected as she should
be, a wife. She was divorced by Mustafa Kemal and was expelled.