বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪

রচলিত তাবলীগ জামাত vs ইসলাম

#‎প্রসংগ‬-প্রচলিত তাবলীগ জামাত বনাম ইসলাম. যারা প্রচলিত তাবলীগ করেছে, পরবর্তীতে তারা তা পরিত্যাগ করেছে। কারণ তাদের নিকট তাবলীগের গোঁমর ধরা পড়েছে। এরকম কিছু প্রমান আপনাদের নিকট পেশ করছি। ১. মৌলভী ইলিয়াছ সাহেবের আবিষ্কার করা তাবলীগ জামাত ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য পেত। যেমন জমিয়তে ওলামায়ে দেওবন্দ এর মহাসচিব মৌঃ হেফজুর রহমান সাহেব নিজেই স্বীকার করেছেন যে, “মৌলভী ইলিয়াসের তাবলীগী আন্দোলন প্রথমদিকে হুকুমতের (ব্রিটিশ সরকারের) পক্ষ থেকে হাজী রশীদ আহমদের মাধ্যমে কিছু টাকা পেত। পরে বন্ধ হয়ে গেছে। (মোকালামাতুস সাদারাইন, পৃষ্ঠা নং-৮ দেওবন্দ হতে প্রকাশিত, সূত্রঃ তাবলীগী জামাত, পৃষ্ঠা নং ৯৯)। আর এজন্যই ইলিয়াছ সাহেব তার মালফুজাত ১৫৯ এ উল্লেখ করেন, “আমি রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা সরকারকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করে রেখেছে। সেজন্য আমি নিশ্চিন্তে নিজের কাজ (তাবলীগ) করতে পেরেছি।” ২. ভারতে যখন হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা হল, তখন হাজার হাজার মুসলমানদের হিন্দুরা হত্যা করেছিল। এর প্রতিবাদ সব ইসলামী দলই করেছিল। একমাত্র তাবলীগী দল চুপ ছিল। এর পুরস্কারস্বরূপ তারা ইন্দ্রিরা গান্ধীর সময়েও তাদের তাবলীগী দাওয়াত চালানোর অনুমতি পায়, যখন রাজনৈতিক- অরাজনৈতিক অন্য সকল ইসলামী দলকে নিষিদ্ধ ও বাঁধা দেওয়া হয়। ৩. ইলিয়াছ সাহেব বলেন, “ইলিয়াছি তাবলীগ দুশমনকে খুশি করে এবং দোস্ত কে নাখোশ করে।” (দেখুন মালফুজাত নং ১৭৯)। পাঠকগণ! গভীরভাবে খেয়াল করুন! ইলিয়াছ সাহেবের কথায় স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা ইসলমী আকিদার বিরোধী। তা নাহলে দুশমনগণ কেন তাদের কাজে খুশি হবে? দোস্ত বা বন্ধু কেন নাখোশ বা বেজার হবে? যারা ইসলামের বন্ধু তারা কোনদিন ইসলামের কাজে নাখোশ হয় না। যারা ইসলামের শত্র“ কেবল তারাই অনৈসলামিক কাজে খুশি হয়। অতএব তাবলীগ জামাত যে ইসলামী আকিদার পরিপন্থী তা ইলিয়াছ সাহেবের কথায় স্পষ্ট বোঝা যায়। ৪. মৌলবী ইলিয়াছ সাহেবের শ্যালক এবং প্রচলিত তাবলীগ জামাতের প্রধান কর্মকর্তা মাওলানা এহতেশামুল হাসান দেওবন্দী যিনি যৌবন কাল হতে বৃদ্ধাবস্থা পর্যন্ত প্রচলিত তাবলীগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মৌলভী ইলিয়াছ সাহেবের সাথে কাটিয়েছেন এবং তাঁর প্রধান খলিফা। তিনি (এহতেশামুল হাসান) তার লিখিত উর্দু কিতাব ‘যিন্দেগী কি সিরাতুল মুস্তাকিম’ এ বলেন- “বস্তি নিজাম উদ্দীনের বর্তমান তাবলীগ আমার জ্ঞান, বিবেক, কুরআন, হাদিস অনুযায়ী সঠিক নহে বরং মুজাদ্দিদ আলফেসানী (রহ.), হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহ.), মুহাদ্দিস দেহলবী (রহ.) ও হক্কানী আলেমগণের মত ও পথের খেলাফ। যে সমস্ত আলেমগণ এই তাবলীগে শরীক আছেন, তাদের দায়িত্ব এই যে, সর্ব প্রথম এই কার্যকে কুরআন হাদিস এবং অতীতকালের ইমাম ও হক্কানী আলেমগণের মত ও পথের সাথে সামঞ্জস্য করা। কেননা, ইহা দ্বীন ও তাবলীগের নামে একটি বিভ্রান্তিকর বিষয় প্রচার করছে। এই বিভ্রান্তিকর বিষয় প্রচারের কারণে সকল প্রকার বালা মুসিবত নাজিল হবার হেতু বলেও আমি মনে করি। তাই জনসাধারণকে সাবধান করতে এই বিষয় লিখতে বাধ্য হচ্ছি। তাবলীগ জামাতের ৬ উসুল ও তাদের আকিদা তথা কর্মকান্ড দেখে আমার কাছে দিনের আলোর মতই পরিস্কার যে, তারা বিদআতের মধ্যে ডুবে গেছে। কেননা এই তাবলীগের আন্দোলন কুরআন, হাদিস ও পূর্ববর্তী উলমাগণের মতামত ও দলিলের উপর ভিত্তি করে করা হয়নি। (সূত্রঃ যিন্দেগী কি সিরাতুল মুস্তাকিম) ৫. মাওলানা আব্দুর রহিম যিনি ১৩/১৪ বছর তাবলীগ জামাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তিনি ১৯৬৮ সালের ২৬ ফেব্র“য়ারী মাদরাসা দারুল উলুম নোমানিয়া তাওয়ালী, জেলাঃ মোজাফফরনগরে দেওবন্দ ও সাহারানপুরের খ্যাতনামা মুহাদ্দিস, মুফতি মুবাল্লেগ উলামায়ে কেরামগণের উপস্থিতিতে বলেছিলেন, “আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে, যে কাজ উলামায়ে কেরামের তা এমন এক শ্রেণীর লোক আঞ্জাম দিচ্ছে যারা দ্বীন সম্পর্কে কেবলমাত্র অজ্ঞই নয়, অধিকন্তু নিজেদের হীনতা, মূর্খতা ও অপকর্মের দরুণ সমাজের চোখে সমাদৃত নয়। কবির ভাষায়ঃ ‘যদি কোন জাতির পথ প্রদর্শক হয় কাক (মূর্খ লোক), তবে উহা তাদেরকে ধ্বংসের পথ প্রদর্শন করে।’’ তিনি বক্তৃতায় আরও বলেন, আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি যে, অনিচ্ছা সত্বেও ধর্মীয় প্রয়োজনে আমি তাবলীগ জামাতের সমালোচনা করছি। কেননা এ জামাতের নাবালেগ মুবাল্লোগগণ যখন জনসাধারণের মধ্যে ওয়াজ করতে আরম্ভ করে অথচ মূর্খদের জন্য ওয়াজ করার অনুমতি শরিয়তে নেই। তারা তাবলীগ জামাতের ফজিলত বয়ান করতে করতে সীমা অতিক্রম করে চলছে। চিন্তার বিষয়, সনদ ব্যতিত কোন ব্যক্তি কম্পাউন্ডার পর্যন্ত হতে পারে না। কিন্তু লোকেরা দ্বীনকে এত সহজ মনে করে নিয়েছে যে, যার ইচ্ছা হয় ওয়াজ করতে দাঁড়িয়ে যায়। তাই বলা যায় অনভিজ্ঞ ডাক্তার জীবনের জন্য বিপদ এবং নিম- মোল্লা (তাবলীগ জামাতের সদস্য) ঈমানের জন্য বিপদ। যে কাজ আলেমের, সে কাজের দায়িত্ব যদি অজ্ঞ লোকেরা গ্রহণ করে উহার গুরুতর পরিনাম সম্পর্কে নবী করিম (সা.) এরশাদ করেন ‘যখন কাজের দায়িত্ব অপাত্রে ন্যস্ত হবে- তখন তোমরা কিয়ামতের জন্য অপেক্ষা করতে থাক। ’ আপনারা অবগত আছেন যে, কৃষি কাজের অনভিজ্ঞ লোকের হাতে লাঙ্গল দিলে সে হালের বলদকে ক্ষত-বিক্ষত করে ছাড়বে। কামারকে ঘড়ি তৈরি করতে দিলে, উহার পরিণাম মারাত্মক হবে। তিনি বক্তৃতায় আরও বলেন, তাবলীগ আন্দোলন কোন দলিল ভিত্তিক নহে। হইাকে লইয়া কেউ যদি দলিল প্রমানের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়, তাকে অবশ্যই পরাজয় বরণ করতে হবে এবং তাবলীগ আন্দোলন বিফল সাব্যস্ত হবে। (‘উসুলে দাওয়াত ও তাবলীগ’ নামক উর্দু কিতাবের ৫০-৬০ পৃষ্ঠা দেখুন, তাবলীগ জামাত-১৫৬-১৬৯ পৃষ্ঠা দেখুন) তাদের কথা দ্বারাই তাদের গোঁমর ফাঁস হয়ে গেছে। তাদের কথা দ্বারাই প্রমান হয় যে, তারা ভন্ড। ইসলামের কোন দল নয়, বরং ইসলাম বহির্ভূত দল। ৩৬ হিজরীতে খারিজীরা হযরত আলী (রা.) এর দল ত্যাগ করে নিজস্ব দল গঠনের জন্য ইরাকে আবদুল্লাহ বিন ওহাব রাসেবীর গৃহে সমবেত হয়। এটাই ছিল খারেজীদের প্রথম ইজতিমা। ইলিয়াছি তাবলীগীরাও ঐ দলেরই একটি শাখা। তারা আউলিয়ায়ে কেরামগণের দল ত্যাগ করে নতুন দল গঠন করেছে। তাবলীগ জামাতের এ সমস্ত গোঁমর মানুষকে জানানো সকল মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। তাবলীগ জামাতীরা বলে থাকেন, তাবলীগ হলো নবীওয়ালা কাজ। এটা তাদের বিভিন্ন কিতাবেও লিখিত আছে। যেমন তাবলীগী নেতা মুহাম্মদ মুযাম্মিল হক লিখিত ‘তাবলীগ জামাত প্রসঙ্গে ১৩ দফা’ কিতাবের ১৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন যে, “প্রচলিত তাবলীগ হলো নবীওয়ালা কাজ।” নবীজি ওফাতের পর এই কাজ পরিচালনা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব (নাউযুবিল্লাহ)। একটু গভীরভাবে চিন্তা করুন নবীওয়ালা কাজ, এটা কি সাধারণ কাজ? এলেম নাই, আমল নাই এমন মানুষ কি নবীওয়ালা কাজ করার যোগ্যতা রাখে? সাহাবায়ে কেরামগণ ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য মসজিদে মসজিদে গাট্টি নিয়ে ছুটাছুটি করেছেন কি? সব প্রশ্নের উত্তর: না। তাহলে অশিক্ষিত মূর্খ ব্যক্তিগণ তাবলীগের নামে দাওয়াত দিয়ে নবীওয়ালা কাজ করছেন তা সঠিক নয়, বরং নবীজির শানে চরম বেয়াদবী। নবীওয়ালা কাজ সকল উম্মত করতে পারে না। একমাত্র যারা নবীজির গুণে গুণান্বিত হতে পেরেছে, তারাই নবীওয়ালা কাজ করতে পারে। যেমন নবীজি (সা.) এরশাদ করেন, ﺔﺜﺮﻮ ﺀﺎﻤﻠﻌﻠﺍ ﻦﺍ ﺀﺎﻳﺒۢﻨﻻﺍ (ইন্নাল উলামউ ওয়া রাসাতুল আম্বিয়া-আল হাদিস) অর্থাৎ “নিশ্চয়ই আলেমগণ হলো নবীর ওয়ারিশ।” এই হাদিস শরীফ হতে বোঝা যায় যে, নবীজির ওয়ারিশ সকলে নয়, একমাত্র আলেমগণ। হাদিস শরীফে আল্লাহর নবী আরও বলেন, ﺮﺎﻳﺧﻠﺍﺭﻳﺨ ﺀﺎﻤﻟﻌﻠﺍﺮﺎﻴﺨ ﺭﺍﺮﺷ ﺮﺍﺮﺸﻠﺍ ﺮﺸﻮ ﺀﺎﻤﻟﻌﻠﺍ (খায়রুল খেয়ারি খেয়ারুল উলামা ওয়াশাররুশ শেরারি শেরারুল উলামা-আল হাদিস) অর্থাৎ “ভালোর চেয়ে ভাল হলো আলেম এবং খারাপের চেয়ে খারাপ হলো আলেম।” এ হাদিস শরীফ হতে বোঝা যায় যে, আলেম দুই প্রকার। যথা উলামায়ে হক্কানী বা প্রকৃত আলেম এবং উলামায়ে ছু অর্থাৎ অসৎ আলেম। আর উলামায়ে হক্কানীগণ হলেন নবীজির ওয়ারিশ বা নায়েবে নবী। এই নায়েবে নবীগণই তাবলীগ বা নবীওয়ালা কাজ করার যোগ্যত রাখে, সাধারণ লোক নয়। [সাজ্জাদ হোসেন রনি] তাবলীগী ভাইদের ফাযায়েলে আমাল সম্পর্কে সৌদি আরবের ওলামাদের ফতোয়া জানতে এখানে ক্লিক করুন http://eshoallahorpothe.wordpress.com/বিভিন্ন-ফিরকা-বা-দল/তাবলীগী-ভাইদের-ফাযায়েলে/ 








শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪

তোমরা যারা জাতীয়তাবাদী

তোমরা যারা জাতীয়তাবাদী........................
তোমরা যারা জাতীয়বাদী তোমরা তোমাদের আপন পিতার লিঙ্গ চুষ।এটা তোমাদের কাছে এতই মজাদার যে তোমরা তা ছাড়তেই চাও না.........

উপরের লাইনটা পরে হইত ভাবতে পারেন সোহাগ ভাঈকে ভালই জানতাম এমন অশ্লীল কথা কিভাবে আমি বললাম

প্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা উপরে কথাটি আমার নয়।আপনি জেনে আশ্চর্য হবেন উপরের কথাটি বলেছেন পৃথীবির সবচেয়ে নম্র ভদ্র ব্যাক্তি বিশ্ব নবি মুহাম্মাদ (সাঃ)।এখানেই থেমে থাকেন নি বলেছেন এই কথাটি বলতে কেউ লজ্জাবোধ করো না

দেখুন হাদিসটি, “যে জাতীয়তাবাদ তথা আসোবিয়্যাহ্ ‘র জাহিলি আহবানের দিকে মানুষকে ডাকে সে যেন তার পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরে পড়ে আছে (তাকে ছাড়তে চাইছে না)।” এরপর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, এবং একথাটি লুকিয়ে রেখো না। অর্থাৎ বলার ক্ষেত্রে কোনো লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ করো না। إِذَا الرَّجُلُ تَعَزَّى بِعَزَاءِ الْجَاهِلِيَّةِ فَأَعِضُّوهُ بِهَنِ أَبِيهِ وَلَا تَكْنُوا [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ২১২৩৬]

রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং সাহাবাগণ (রা) সবসময় উত্তম ভাষায় কথা বলতেন। এমন কি চরম তিরস্কার করার সময়েও উনারা বাক্য চয়নে সতর্ক থাকতেন। কিন্তুজাতীয়তাবাদ নিয়ে স্বয়ং রাসূল ﷺ এই ভাষা ব্যবহার করতে বলেছেন।তাহলে বুজেন জাতীতাবাদ কত খারাপ জিনিস।

জাতীয়তাবাদ একটি ছোয়াছে রোগ।একারনে কম বেশি সবাই এই রোগে আক্রান্ত।আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনি এই রোগে আক্রান্ত?

যখন দেখবেন কোন বাংলাদেশী মরলে আপনাড় কষ্ট লাগে কিন্তু পাকিস্তান সিরিয়া কিংবা মিশরে মানুষ মরলে আপনার কিছু মনেই হয়না কিংবা তুলনামুলক কম কষ্ট অনুভুত হয়।

আবার নিজ দলের বা সঙ্গগঠনের মানুষ মরলে কষ্ট লাগে কিন্তু অন্য দলের লোকদের অন্যায় ভাবে মারলেও মনে হয় ঠিকি হয়েছে তাহলে বুজবেন আপনি জাতীয়তাবাদী রোগে আক্রান্ত

কিংবা ইসলামের চাইতে দেশ/দল/গোষ্ঠী/ব্যাক্তি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেলে,দলের সমালোচনা সজ্য করতে পারেন না এমন,কেউ দলের সমালোচনা করলে ইসলামের আলোকে জাস্টিফাই না করেই গালাগালি শুরু করলে বুজতে হবে জাতীয়তাবাদ চরমভাবে আপনার উপর ভর করছে।

কিভাবে বুঝবেন আপনি জাতীতাবাদ রোগ থেকে সুস্থ?

যদি পৃথিবীর যেকোন কিছুর চেয়ে ই্সলামকে বেশি গুরুত্ব দেন,সবকিছু ইসলামের আলোকে জাস্টিফাই করেন আর কোনো ভারত/পাকিস্তান/আফগান/সিরিয়া/আম্রিকা/বাংলাদেশ অধিবাসী মুসলিম মরলে আপনার সমান কষ্ট অনুভুত হয় তাহলে বুঝবেন জাতীতাবাদ রোগ থেকে আপনি সম্পুরণ সুস্থ



ইন্ডিয়া ডকট্রিনের সারকথা


ইন্ডিয়া ডকট্রিনের সারকথা
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পরক্ষণেই কংগ্রেস সভাপতি আচার্য কৃপানলি বলেছিলেন :
Neither the Congress nor the nation has given up its claim of United India' - কংগ্রেস কিংবা জাতি অখন্ড ভারতের দাবি পরিত্যাগ করেনি।

ভারতের তৎকালীন প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বলেছিলেন : 'Sooner than later, we shall again be united in common allegiance to our nation.'' অর্থাৎ অতি সত্বর আমরা জাতি হিসেবে আবার একীভূত হব।

ল্যাবি কলিন্স ও ডমিনিক লেপিয়ার লেখা বই মাউন্ট ব্যাটেন অ্যান্ড দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া-য় বলা হয়েছে, স্বাধীন বাংলার তখনকার দাবির বিরুদ্ধে হিন্দু মহাসভার আপত্তি সমর্থন করেছিলেন পন্ডিত জওহর লাল নেহেরু। এ প্রসঙ্গে মাউন্ট ব্যাটেন উল্লেখ করেন: Pundit Neheru has stated that he would not agree to Bengal being independent... In his opinion, East Bengal was likely to be a great embarrassment to Pakistan. Presumably, Pundit Neheru considered East Bengal was bound sooner or later to rejoin India.'অর্থাৎ পন্ডিত নেহেরু বলেছেন যে তিনি স্বাধীন বাংলা মেনে নেবেন না। ... তার মতে পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। পন্ডিত নেহেরু মনে করতেন যে পূর্ব বাংলা এক সময় ভারতের সাথে যোগ দিবে।

এখানে ইন্ডিয়া ডকট্রিনের প্রতিফলন রয়েছে। ইন্ডিয়া ডকট্রিনের সারকথা হচ্ছে - দক্ষিণ এশিয়া হচ্ছে একটা স্ট্র্যাটেজিক ইউনিট, যার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ভারতের হাতে; আর ভারতই এ অঞ্চলের জন্য একটি আঞ্চলিক নীতি প্রণয়নের অধিকার রাখে। আমরা শুনেছি গুজরাল ডকট্রিনের কথাও - ভারত তার স্বার্থের প্রতি আঘাত সৃষ্টিকারী যেকোনো দেশের ওপর আক্রমণ চালানোর অধিকারও রাখে।

ইসলামের ডকট্রিনের সারকথা (ভারত সম্পর্কে)

হযরত সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নাম থেকে মুক্ত ও স্বাধীন করে দিবেন। একদল হল, যারা হিন্দুস্থান তথা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। আরেক দল হল, যারা শেষ জামানায় হযরত ঈসা ইবনে মারিয়ম (আ) এর সঙ্গী হবে। (নাসায়ী শরীফ খন্ড-১,পৃষ্ঠা-১৫২ ও তাবরানী)

এই হাদীসটি অন্য বর্ণনায় এভাবে এসেছে, রাসুল (সা) বলেছেন, আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুন থেকে হিফাজত করবেন। একদল হল, যারা হিন্দুস্থান তথা ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে। আরেক দল হল, যারা শেষ জামানায় হযরত ঈসা ইবনে মারিয়ম (আ) এর সঙ্গী হবে। (মুসনাদে আহমাদ হাদিস-২২২৯৫, খ-১৬ পৃষ্ঠা-২৯৫, বায়হাকী খ-৯,পৃষ্ঠা-১৭৬, নাসায়ী শরীফ জিহাদ অধ্যায়)

হযরত আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত। রাসূল (সা) বলেছেন, এ উম্মতের মধ্যে একটি মিশন সিন্ধু ও হিন্দুস্থান তথা ভারতের দিকে পরিচালিত হবে। আমি যদি এ অভিযান পেয়ে যাই এবং জিহাদ করে শহীদ হতে পারি তাহলে এমনটিই করব। আর যদি জীবিত ফিরে আসি তাহলে আমি মুক্ত স্বাধীন আবু হুরায়রা হয়ে যাব। আল্রাহ আমাকে দোযখের আগুন থেকে মুক্ত করে দিবেন। (মাসনাদে আহমাদ,হাদিস-৮৮০৮, খ-৯ পৃষ্ঠা-১১) 




মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৪

উম্মাহ’র একজন খলিফা থাকাটা ফরজ



শরিয়াহ্ মূলনীতিঃ এটা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত যে আমাদের জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও শরিয়াহ্ আইনের বাস্তবায়ন করা ফরজ। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত না একজন শাসক থাকছেন অথবা তার হাতে ক্ষমতা না থাকছে ততক্ষণ আমাদের জীবনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও শরিয়াহ্ আইন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আর শরিয়াহ্’র মূলনীতি হচ্ছে “ওয়াজিব পালনের জন্য যা প্রয়োজন তা নিজেই ওয়াজিব।” এক্ষেত্রে এই শরিয়াহ্ মূলনীতি অনুযায়ী একজন খলিফার উপস্থিতি ওয়াজিব। বিভিন্ন দলিল-প্রমাণ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে মুসলমানদের উপর শরিয়াহ্ আইন ও ক্ষমতা বাস্তবায়ন এবং একজন খলিফা থাকা যিনি আইন প্রয়োগের ও শরিয়াহ্ বাস্তবায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, একটা অবশ্য কর্তব্য। উপরন্তু শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ ও ক্ষমতার খাতিরেই নয় বরং অভিভাবক ও নেতা হিসেবেও উম্মাহ’র একজন খলিফা থাকাটা ফরজ। এটা নিম্নোক্ত হাদিসের মাধ্যমে জানা যায়। আউফ বিন মালিক আল আশ’আবী বলেন যে, “রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের ইমামদের (নেতা) মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে তারা যারা তোমাদেরকে ভালবাসে এবং তোমরা তাদেরকে ভালবাস, এবং যারা তোমাদের জন্য প্রার্থনা করে এবং তোমরা যাদের জন্য প্রার্থনা কর; এবং তোমাদের ইমামদের (নেতা) মধ্যে নিকৃষ্ট হচ্ছে তারা যাদেরকে তোমরা ঘৃণা কর আর তারা তোমাদেরকে ঘৃণা করে ও তোমরা তাদেরকে অভিশাপ দাও আর তারা তোমাদেরকে অভিশাপ করে।” আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমরা কি তখন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করব না?’ তিনি বললেন, ‘না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের ভেতর সালাত (ইবাদত) প্রতিষ্ঠা করে ।’’ [মুসলিম] এই হাদীস স্পষ্ট ভাবে আমাদেরকে ভাল ও খারাপ নেতাদের সর্ম্পকে জানায় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ইবাদত প্রতিষ্ঠিত রাখে ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ করে। ‘ইবাদত প্রতিষ্ঠা’ মানে হচ্ছে ইসলামকে উচ্চে তুলে ধরা ও শরিয়াহ্ বাস্তবায়ন করা। ইসলামিক আইনের উৎস সমূহের মধ্যে মুসলমানদের উপর একজন খলিফা নিয়োগের দায়িত্ব যিনি ইসলামের আইন বাস্তবায়ন করবেন এবং ইসলামের আহ্বানকে (দাওয়াত) সারা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেবেন এমন গুরুত্বের সাথে বর্ণিত হয়েছে যে এটা সন্দেহাতীত ভাবে একটা ফরজ দায়িত্ব। অবশ্য এটা একটা সম্মিলিত দায়িত্ব (ফরজে কিফায়া)। যদি কিছু লোক এই কার্য সমাধা করে তবে সবার পক্ষ থেকে তা আদায় হয়ে যাবে এবং অবশিষ্ট উম্মাহ্ দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু উম্মাহ্’র একাংশ যদি এই দায়িত্ব পালনের জন্য কাজ করেও তা সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়, তবে পুরো মুসলিম জাতির উপর এই দায়িত্ব পালন করার দায় থেকে যায়। মুসলমানরা যতদিন খলিফা (ইসলামিক শাসক) ছাড়া থাকবে ততদিন মুসলিম উম্মাহ্’র কেউই এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবে না। http://liberatedthought.blogspot.com.au/2012/04/blog-post_20.html?m=1





মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার আগে রাসূল(সাঃ) এবং সাহাবা(রাঃ)-রা এমন ১৩ বছর সময় কাটিয়েছিলেন, যখন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি, 'ফিজিবল' রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উপযোগী ভূমির কর্তৃত্ব মুসলিমদের হাতে ছিল না, ইসলাম বাস্তবায়ন এবং মসুলিমদের নিরাপত্তা দানে সক্ষম এমন আহলুল হাল্লি ওয়াল আক্বদ'রা কোথাও নিঃশর্তে নুসরাহ দিতে রাজী হননি।

মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ১৯২৪ সাল পর্যন্ত খিলাফত ব্যবস্থা টিকে ছিল।

১৯২৪ সালের পর থেকে আমরা এমন কোন রাষ্ট্র পাইনি যারা সত্যিকার অর্থে শরয়ী-ঊসূলী ক্রাইটেরিয়া পূরণ পূর্বক খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে, সেটা শিয়া ইরান কিংবা তালিবান আফঘানিস্থান যারাই হোক না কেন। জ্বিহাদীরা বরং জাতীয়তাবাদী কুফর সীমানা মেনে নিয়ে ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করেছে। তা না হলে মুল্লাহ উমার কেন সউদি, আমিরাত এবং পাকিস্থানকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করে নিল? কেন তারা জাতিসংঘের সদস্যপদ চাইল? বাস্তবতা হচ্ছে, আফঘানিস্থান বা শীশান বা মালী বা ইয়েমেন বা সোমালিয়াতে যারা নিজেদের ইমারাতের আমীর দাবী করছে, তারা কেউই খিলাফত ডিক্লেয়ার করেনি বা খলিফাহ হিসেবে বাই'য়াতও চায়নি।

কিন্তু এখন সেই আল-ক্বায়িদাহপন্থীদের মধ্যেই বিভাজন শুরু হয়েছে। শাইখ আবু উমার আল-বাগ্বদাদী আমির-উল-মুমিনীন হিসেবে বাই'য়াত নিচ্ছেন, ইরাকের আনবার থেকে সিরিয়ার আলেপ্পো অবধি অন্তত ২০-টির বেশি শহর নিয়ে লেবাননের চাইতেও বড় অঞ্চলে শারি'য়াহ বাস্তবায়নের দাবী উঠেছে। ইয়েমেন থেকে জাওয়াহিরির বদলে শাইখ আবু দু'য়ার প্রতি বাই'য়াত নেওয়ার প্রচেষ্টার কথাও শোনা যাচ্ছে। ১৯২৪-এর পর প্রথম বারের মতো আসারিয়য়্যাহ'র বর্ডার উৎপাটন করা হয়েছে।

তাহলে প্রশ্নঃ

(১) জিহাদিদের কাছে আমিরুল মু'মিনিন কে মুল্লাহ উমার নাকি শাইখ বাগ্বদাদি?
(২) জিহাদিদের গ্লোবাল কর্তৃত্ব কার হাতে আইমান আল-জাওয়াহিরি না শাইখ আবু দু'য়া?
(৩) শাইখ আবু উমার কি বাই'য়াত নিচ্ছেন ইমারাহ'র আমীর হিসেবে নাকি খিলাফাহ'র খলিফাহ হিসেবে?
(৪) ইমারাহ কনসেপ্ট-এর ঊসূলী ভিত্তি কি? কে এর আমীর নিয়োগ করবে? অস্বীকারকারীর শাস্তি কি?
(৫) খিলাফাহ ঘোষণা না করা পর্যন্ত উক্ত মুক্ত ভূমি কি দারুল কুফর নাকি দারুল ইসলাম?
(৬) ভূমির অথরিটি হাতে আসবার পরও, খিলাফাহ ঘোষণা না হওয়ায়, হাজার হাজার মানুষের উপর বছরের পর বছর ইসলাম বাস্তবায়ন স্থগিত রাখা কিভাবে জায়েয হতে পারে? তাহলে কি উক্ত জনপদ-সমাজ কি কুফরের ভিত্তিতেই চলতে থাকবে? তাদের জীবনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ইসলামের ভিত্তিকে হবে না? কে তাদের দেখাশুনা করবে?

ইমারাহ আজকের বাস্তবতা! যা ইসলামের দেড় হাজার বছরের ইতিহাসে আজ আমাদের এক ইউনিক মানাত-এর সম্মুখীন করেছে। উসূলের দিক থেকে চুপ করে থাকলে হবে না, ইজতিহাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর পলিটিক্যালি এর ওয়ে আউট একটাই, খিলাফাহ ডিক্লেয়ার এবং এক খলিফাহ'র কাছে সবাই বাই'য়াত নেওয়া!

নিশ্চয় ইমাম মতপার্থক্য দূর করে ঐক্যবদ্ধ করেন ... State man


শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪

কোরান আর সুন্নাহর কষ্টি পাথরে বিশ্ব এস্তেমা বিদাত নাকি এবাদত


কোরান আর সুন্নাহর কষ্টি পাথরে বিশ্ব  এস্তেমা বিদাত নাকি এবাদত সেটার বিচারের ভার আপনার। তাবলিগের ভাইয়েরও বলে এটা কোন এবাদত না। তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষ যে এবাদত মনে করে ভুলে ডুবে আছে সেই পাপের ভাগ কে নিবে? For sake of argument যদি আমরা এই এস্তেমা কয়েকটা ভয়ংকর দিক লক্ষ্য করি তাহলে যা দাঁড়ায়... (যদি এইভাবে চলতে থাকে…) 1. 50/100 বছর পর, আমাদের অঞ্চলের মানুষ বিশ্বে এস্তেমা কে হজ্ব এর সমান বলে ধারনা করতে থাকবে, (এখনই অনেক মূর্খ করে) 2. ভাববে এখানে গেলে সমস্ত গুনাহের নাজাত পাওয়া যায় আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে (এখনই তাই ভাবছে) 3. নেকীর উদ্দেশ্যে কেউ কেউ এখানে এসে মৃত্যু কামনা করবে (এমন ঘটেছে) 4. ঈদের পর সমান গুরুত্ব দিয়ে এই আখেরী মোনাজাতের দিনে বিশেষ খুশীর আয়োজন হবে, নতুন পোষাক কেনা হবে গুরুত্ব সহকারে (এমন হচ্ছে)। তিনি চললেন এজতেমায় 4 নাম্বার দিয়ে শুরু করিঃ আমরা যারা ঢাকার সন্তান আমরা জানি কোন কোন পরিবার এই দিনে স্পেশাল রান্না করে, ঈদের সাজে সাজেন অনেক পুরুষ। আগে সরকারী বন্ধ হত না, এখন দুই দিন বন্ধ থাকে। নুতন যে জেনারেশন আসবে তারা দেখবে এটা খুব গুরুত্ব সহকারে পালন হচ্ছে আর তাদের ভিতর বেদাতের বীজ ভয়ংকর ভাবে গেথে যাবে (যাচ্ছে)। আমার ছোটবেলার বন্ধু যারা সবাই উত্তরায় থাকেন, নামাজ আদায় করেন না (আমিও বিশ্বাস করতাম)। আমি দেখেছি কত গুরুত্ব সহকারে তারা আখেরী মোনাজাত এ মোনাজাত এ অংশ নিয়ে থাকে।এমন কমেন্ট করেন যে এই দিনে আল্লাহ স্পেশাল নাজাত দিতে নেমে আসেন (?)। আমার এমন বন্ধু আছেন যে গুনাহের সমস্ত পাহাড় এ ভ্রমন করেন কিন্তু এই দিনকে নাজাতের দিন মনে করেন (শিক্ষিত ছেলে)। এমনকি আমাদের মধ্যে একধরনের একটা আনন্দ কাজ করত, আখেরী মোনাজাতের আগের রাতে সারা রাত মজা করতাম, দিনের বেলা নামাজ না আদায় করে মোনাজাতের অ্যাডভেঞ্চার শুরু করতাম। (ভাবছেন এদের বুঝালে‘ই হয় বা এরা এমন ভাবে তাতে Itself Istema is not bad এটা তাদের দোষ, এস্তেমা মুরুব্বীরা তো আর তা করতে বলেন না। হা ভাই রাসুল (সঃ) এই কথাই বলেছেন “…কুল্লু বিদাতিন দলালা … দলালাতিন ফিন্নার”। আপনি পারমিশন ছারা খাল কেটে দিয়ে বলবেন আমার কি দোষ আমি কি জানি কুমির আসবে? একটা ভয়ংকর বেদাতের জন্ম দিয়ে এখন তাদের বুঝাও, নাহলে তাদের ইমান ঠিক নাই মুরুব্বিদের কি দোষ!?) 3 নাম্বারঃ আমার মনে আছে আমি জীবনে প্রথমবার যখন আখেরী মোনাজাত এ তখন কয়েকজন ঐ দিনে মারা গিয়েছিলেন, তাদের জানাজা হয়েছিল ঐখানে আর ধর্মের সুশিক্ষায় শিক্ষিত একজন বলেছিলেন “এমন দিনে মারা গেল কি কপাল !” (তাহলে এখন আমাদের কি হবে? আমাদের কপাল ভাল করার জন্য ঐ দিনের জন্য মৃত্যু কামনা করা উচিত। মানুষ এমন মোনাজাত করেন যে চোখের জল, নাকের পানি মিলেমিশে তার নেকী লাভের কষ্টকে পাপে পরিনত করে।) 2 নাম্বারঃ ঘড়ে খাবার থাকুক, না থাকুক, যুবতী মেয়ের জন্য ঘরে পুরুষ থাকা প্রয়োজন থাকুক চাই না থাকুক, সক্ষম স্ত্রী একা একা তার কষ্ট হউক বা না হউক, পকেটে যথেষ্ট টাকা থাকুক চাই না থাকুক (স্ত্রী, সংসার পালনের টাকা) তিনি চললেন এস্তেমা। এই উপলক্ষে একটা ঘটনা বলি “আমার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক, হঠাৎ দেখলাম দাড়ি, টুপি দারুন চেঞ্জ। খুবই ভাল কথা। কিন্তু শক খেলাম কিছুদিন পর, প্রথম শক খেলাম যে দিন উনার স্ত্রী শিফন জর্জেট এর শাড়ি পরে শপিং যায়। আর স্যার মাসের পর মাস চিল্লায়। উনার মেয়ে, তাদের রোডে উঠতি সুন্দরী হিসেবে তার খুব জনপ্রিয়তা। কিন্তু ঐ মেয়ের চারিত্রিক ইতিহাস ব্যথিত করার মত। আর তিনি নাজাতের জন্য যুবতী মেয়ে, স্ত্রী রেখে গেলেন ৬ মাসের চিল্লায়। (ভাবছেন, আল্লাহ তার সাথে তবলীগের কি রিলেশন? আর তিনি (স্যার) নিশ্চয়ই তাদের সাবধান হতে বলেছেন। হা ভাই সব বাবা‘ই বলেন। প্রচন্ড ক্ষুদায় কাতর একজনকে আপনি কাচ্চি বিরিয়ানির ঘ্রান নাকে দিয়ে আর কাচ্চি বিরিয়ানির পাতিল কিচেনে রেখে বললেন খবরদার ধরবি না। বেচারী… তার কি দোষ যদি কাচ্চি বিরিয়ানির নিজে পায়ে হেটে তার মুখে উঠে। এমন চিল্লার কথাই কি শরিয়তে বলা হয়েছে?) 1 নাম্বারঃ এটা হল সবচাইতে আপত্তিকর। আমি নিজের কানে শুনেছি মানুষদের বলতে “আমরা গরিব হজ্বে যেতে পানি না, তাই এখানে আসি যেন আল্লাহ আমাদের নাজাত দেন।” “এমন বলতে শুনেছি, মিয়া হজ্জ্বে যাও এর আগে একটা চিল্লা লাগাও; চিল্লা না লাগাইয়া কিসের হজ্জ্ব?” আহা… হ্জ্জ্ব (বা হজ্জ্ব সমান সওয়াব) বুঝি এখন বাংলাদেশে চলে এল। কত উপকারই না হল আমাদের। ভাবছেন এখানে মুরুব্বীরা কি করতে পারেন? তাদের কি দোষ? তাদের দোষ না খুজে বলা যেতে পারে এস্তেমার উদ্দেশ্য কি এটা? যদি না হয় সেই এস্তেমা কি ত্রুটি মুক্ত করা যায় না? এই বেদাতের জন্য তাহলে কি আমরা দায়ী? আপনি দায়ী? মুরুব্বী দায়ী? কে দায়ী? কে দিবে এর জবাব যে বেদাতের জন্ম হয়েছে তুরাগের পাড়ে? কে দিবে জবাব যে এস্তেমার কারনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফরজ নামাজ রেখে আখেরী মোনাজাতের জন্য দৌড়াদৌড়ি? কে জবাব দেবে যখন কোন মৃত প্রায় রোগী হাসপাতালে আসতে পারল না এই এস্তেমার জন্য? কোন সে দলিল আপনার বহন করে চলেছেন? যে দলিল আমরা জানি না, যে দলিল সাহাবায়ে কেরাম গণ জানতেন না? কি সেই ওহি দেখান। কে দেবে জবাব যখন স্বামী এস্তেমা আর যুবতী স্ত্রী, কন্যা জিনা/ব্যাভিচারের লিপ্ত হয়? কে বুঝাবে আখেরী মোনাজাত এখন কেন আমাদের ধর্মীয় জীবনে এমন ভাবে গেথে যাচ্ছে, যেন রাসুল (স্ঃ) করতে বলেছেন ? আরও অনেক জরুরী বেপার নিয়ে আলোচনা করা যাবে, কিন্তু আমি আলেম না, তাই ঐসব ব্যাপার এ আলোচনা করা আমার জন্য পারমিসেবল না।আমি এখনও একজন ছাত্র তাই সাধারণ কথা গুলির উত্তর আমি খুজছি। তবে হ্যা… তাবলিগি ভাইদের একটা জিনিস অবশ্যই প্রশংসা করতে হবে; তারা নামাজী একদল মুসলমান আর তাদের উদ্দেশ্য‘ও মহৎ, এবং আমি এও বিশ্বাস করি খুব অল্প সময়ে তারা ক্রুটি মুক্ত একটা জামাত উপহার দেবেন। যেখানে সালাফে সালেহিনদের মানহাজই হবে আমাদের মানহাজ।
 ---- Minhaz Ahmad
  আমরা সমাজে যখন ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলি, তখন অনেকেই বলেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠা!! নামাজ পড়ছি, রোযা রাখছি ... ইসলাম তো প্রতিষ্ঠিত আছেই... আবার অনেকেই বলেন, সরকার সালাত আদায় বা সাওম তো নিষিদ্ধ করছে না!!
ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত, আবু উমামাহ(রা) বর্ণনা করেন, রাসূল(সা) বলেনঃ
"শীঘ্রই তোমরা একের পর এক ইসলামের সুরক্ষিত দূর্গ ভঙ্গ করবে। যখনই একটি দূর্গ ভেঙ্গে যাবে মানুষ নাছোড়বান্দার মত দ্বিতীয়টি ধরে ঝুলে থাকবে। প্রথম দূর্গটি হল ইসলামের শাসনব্যবস্থা এবং শেষটি হল সালাত।"
দ্বীন প্রতিষ্ঠার ফরয দায়িত্ব থেকে দূরে সরে থেকে ফাঁকিবাজিটা কার সাথে করছি??

আপনার মতামত চাই

মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৪

ইসলামের দূর্গ এবং সালাত bKASH ...

 ইসলামের প্রথম দূর্গটি হল শাসনব্যবস্থা এবং শেষটি হল সালাত:-
----------------------------------------------
সংসদে সাংসদরা বিভিন্ন আইন পাস করে থাকেন।

সংসদে বসেন ৩৩০ জন । এই ৩৩০ জন কিভাবে ১৮ কোটি মানুষের মনের খবর বা তাদের বর্তমান চাহিদা ও সমস্যা সম্পর্কে অবগত? তারা কি অন্তরজামী ?
তাই আমরা দেখি যারা আইন প্রনয়ন করে থাকেন, তারা কিছুদিন পর পর ওই আইন ভেঙ্গে অন্য আইন প্রনয়ন করেন। এবং বলেন ১৮ কোটি মানুষ এর থেকে উপকার লাভ করবেন।
আজকে খালেদা কোন আইন বানালে বলে হাসিনা বলে ওই আইন বদল কর, ঠিক তেমনি হাসিনা কোন আইন বানালে খালেদা বলে ওই আইন চলবে না। ( এখানে যদিও হাসিনা বা খালেদার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এর সাথে সংশ্লিষ্ট ওই ৩৩০ জন)
যেমন টা আমরা জেনেছি কাবার মাঝে ৩৬০ টি মূর্তির কথা।

যুগের পরিবর্তন কিন্তু ধারনা একি। একি মধ্যযুগীয় ধারনা এই ডিজিটাল প্রেমীদের ?

এই সংবিধানের দোহাই দিয়ে , ওই ৩৩০ জন টাকার এর ক্ষমতার পাহার জমায় যা জনসাধারন হতে শত ক্রোশ দূরে অবস্থান করে।

এরিসটেটল কিংবা লিঙ্কনের সংবিধানে তারা শুধু মাত্র গোত্রীয় সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেছে। যদিও তারা এর কোনই সাফল্য পায় নি , বরং পরবর্তীতে তা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। যা পশ্চিমাদেশ গুলতে আজো বিদ্ধমান। আর ওই ধারাবাহিকতায় সাড়া বিশ্বে তাদের সমস্যা গনতন্ত্র দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আজকে সাড়া বিশ্ব জুরে অশান্তি, রাহাজানি, মানবাধিকার লঙ্ঘন করে হত্যা, গুম প্রভৃতি দেখতে পাচ্ছি।

মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী ১৪০০ বছরের যুগে সংবিধান তো কোরআন ছিল । কৈ তখন তো কোন সমস্যা ছিল না? তা হলে আজকে এই অবস্থা কেন ?

১৪০০ বছরে চুরি করার জন্য ৭৩ জন কে শাস্তি দেয়া হয়েছিল । ১৪০০ বছরে ৭৩ জন ? বিশ্বাস হয় না? ইতিহাস ঘেঁটে দেখেন।

আমি মনে করি , সাড়া বিশ্বে আজকে যে সকল সমস্যা প্রতিয়মান, তার এক মাত্র সমাধান, কোরআনকে সংবিধান করে ও একটি যাকাত নির্ভর অর্থনীতি বেবস্থার মাধ্যমে সম্পদের সুষম বণ্টন করা ও সেই সাথে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে সাড়া দুনিয়ার মানুষকে মুক্তি দেয়া। মুক্তি দেয়া এই আলিম জালিম শোষক শ্রেণী হতে।

এটা কোন অলিক কল্পনা নয় বরং বাস্তববাদী ধারনা, যা মুসলিমরা ১৪০০ বছর দাপটেরর সাথে অর্ধ বিশ্ব শাসন করলেও মুসলিম বা অ-মুসলিম কারই কোন রকম অভিযোগ ছিল না। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তো অনেক পরের ব্যাপার, অ- মুসলিমরা আরও হেফাজতে থাকত।

পরিশেষে বলতে চাই, আজকে যারা ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের সাথে তুলনা করছে তারা হচ্ছে সংখ্যালঘু। আর সাধারন মুসলিমরা কখনই লিঙ্কন্দের বস্তা পচা গনতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা ইসলামকে রাষ্ট্রে হিসাবে দেখতে চায়। যখন বিপ্লব শুরু হয়েছে, তখন লাখ লাখ বুলেট খরছ করেও এই আদর্শিক বিপ্লব কেউ, কেউই থামাতে পারবে না। সম্ভব না।

যারা জানে ইসলাম একবার এসেছিল, তখন ইসলামি রাষ্ট্র তথা খলিফা কেন্দ্রিক রাষ্ট্র বেবস্থা একটি সুপার পাওয়ার ছিল। আবার যদি ইসলাম এসে তখন তাদের সাধ্য হবে না, তা থামানোর। তারা চাবে এটিকে থামাতে না আসার পূর্ব পর্যন্ত , আর মুসলিমরা চাবে এটিকে ফিরিয়ে আনতে না আশা পর্যন্ত। কিন্তু অবশ্যই আল্লাহ্‌ মুমিনদের সাথেই রয়েছেন। যেখানে আল্লাহ্‌ স্বয়ং মুমিনদের সাহায্য করেন অলৌকিক ভাবে, তখন শত্রু পক্ষ শয়তানের প্রত্যক্ষ সাহায্য নিয়ে কি করতে পারে?


আমরা সমাজে যখন ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলি, তখন অনেকেই বলেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠা!! নামাজ পড়ছি, রোযা রাখছি ব্লা ব্লা ব্লা, ইসলাম তো প্রতিষ্ঠিত আছেই... আবার অনেকেই বলেন, সরকার সালাত আদায় বা সাওম তো নিষিদ্ধ করছে না!!

ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত, আবু উমামাহ(রা) বর্ণনা করেন, রাসূল(সা) বলেনঃ
"শীঘ্রই তোমরা একের পর এক ইসলামের সুরক্ষিত দূর্গ ভঙ্গ করবে। যখনই একটি দূর্গ ভেঙ্গে যাবে মানুষ নাছোড়বান্দার মত দ্বিতীয়টি ধরে ঝুলে থাকবে। প্রথম দূর্গটি হল ইসলামের শাসনব্যবস্থা এবং শেষটি হল সালাত।"

দ্বীন প্রতিষ্ঠার ফরয দায়িত্ব থেকে দূরে সরে থেকে ফাঁকিবাজিটা কার সাথে করছি??


উমর(রা) ফারুক উপাধি পেয়েছিলেন ইসলাম গ্রহণের পরে, এটা আমরা জানি।
ফারুক শব্দের অর্থ পার্থক্যকারী। অর্থ্যাৎ হক্ব এবং বাতিলের মাঝে পার্থক্যকারী।

এই উপাধি তিনি এমনিতেই পেয়ে যাননি, বরং ইসলাম গ্রহণের সাথে সাথে তিনি বাতিলের দরজায় কড়া নেড়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন হক্বের শক্তির ব্যাপারে। সমাজের প্রচলিত ধারণা বা বাস্তবতার কথা বলে গড্ডালিকা প্রবাহের সাথে গা এলিয়ে দিয়ে চলেননি।

প্রচলিত কুফরী ধ্যান-ধারণাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য দিনরাত এক করেছিলেন....

শুধুমাত্র শাহাদাহ পাঠে ফারুক হওয়া সম্ভব নয়, বরং নিজ সালাত-কুরবানী-জীবন-মৃত্যু আল্লাহ'র নামে সমর্পিত করাতেই এর ফারুক শব্দের মর্মার্থ নিহিত।

=====================================
 bKASHবিকাশ আপনাকে টাকা পাঠানোর service দিচ্ছে আর কাফিরদের সাথে চুক্তিতে সইও করাচ্ছে..... আর মুসলিমদের সাথে যুদ্ধরত কাফিরদের সাথে চুক্তি বৈধ নয়.....

আর এভাবেই আমরা কাফিরদের এজেন্ডা serve করছি.... আর টিভির বিজ্ঞাপন দেখে educated ছেলে হওয়ার চেষ্টায় ব্রত....

উল্লেখ্যঃ 'বিকাশ' ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ এবং মানি ইন মোশন, ইউএসএ এর একটি যৌথ প্রজেক্ট এবং ২০১৩ এর এপ্রিল মাসে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) ও 'বিকাশ' এর
অন্যতম অংশীদার হয়। (তথ্য কমেন্টে)

http://www.prweb.com/.../mobile-banking/prweb8660908.htm

ইসলাম পালন করতে হলে সম্পূর্ণই পালন করা বাধ্যতামূলক। নীতির ধার ধেরে বা গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে চলা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক।

আর অবশ্যই ফারদের দিকে সর্বাধিক খেয়াল রাখা উচিত। আমি যা বলছি, তা হারামের বিরুদ্ধে; আর হারাম থেকে বেচে থাকাই ফারদ
নয় কি?
আমি কোন ফারদ পালন থেকে বিরত থাকলে নাসীহা করবেন ইন-শা-আল্লাহ
আর জুকারবার্গ ইয়াহুদী, নাস্তিক নয়। তার through তে হারবি ফিলানিদের(enemies; whose are fighting with muslims) সাথে আমার কোন চুক্তি সই হয়নি। আল্লাহ ভালো জানেন। 







বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৪

খিলাফতকে সমর্থন করুন অমুসলিম


আমার পরিচিত কিছু হিন্দু ধর্মের বিশ্বাসীরা পুরো বাংলাদেশী "মুসলিম জাতিকে" এই বলে আক্রমন করছে যে অন্যায়-অবিচার চলছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর তাঁর জন্য মুসলিমরা দায়ী কারন এই দেশ হোল মুসলিম প্রধান দেশ এবং শাসকশ্রেণী হোল মুসলিম এবং সাধারন মুসলিম জনগণও প্রতিবাদ মুখর হয়ে রাস্তায় নামছেনা।
তাই প্রথমেই বাঙ্গালী জাতিসত্তার "চেতনা" থেকে বলবোঃ "সবকিছুতে ধর্ম কে টেনে না আনলে হয় না?!"

যেকোনো সমস্যার "মূল" খোঁজার চেষ্টা করুন, সমস্যার "উপসর্গ" নিয়ে চিন্তিত হওয়া খারাপ লক্ষণ। যখন এই অত্যাচারী গনতান্ত্রিক শাসকশ্রেণীকে প্রতিবার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসান, তখন কি এলাকার "এম পি" দের ইসলাম ধর্মীয় গুণাবলী কি কি আছে সেটা দেখে ভোট দেন, নাকি সিমপ্লি একজন "বি এন পি বা আওয়ামীলীগ রাজনীতিবিদ" দেখে দেন? শাসকশ্রেণীকে ক্ষমতায় বসাবেন তাঁর গনতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিবেচনা করে, আর এরাই যখন অত্যাচারের খড়গ নিয়ে চড়াও হবে তখন বলবেন "মুসলমান" খারাপ!!!???? তাই সমস্যার "গোড়া" হোল বর্তমান শাসকশ্রেণী যাদের আপনারা নিজেরাই ক্ষমতায় বসান, এবং এদের সাথে "ইসলাম" এর উত্তর মেরু-দক্ষিন মেরু সম্পর্ক।

আর যদি ইসলাম এর হুকুম নিয়ে জানতে চান, ইসলামিক রাষ্ট্র তথা খিলাফাত রাষ্ট্র (যা বর্তমান পৃথিবীতে কোথাও নেই, যেটিকে পশিমা সভ্যতা বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের সাথে ষড়যন্ত্র করে ভেঙ্গে দিয়েছে ১৯২৪ সালে, এবং যেটিকে পুনরায় ফিরিএ আনার জন্য বিশ্বব্যাপী তীব্র গণআন্দোলন শুরু হয়েছে) ব্যবস্থায় ভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের জন্য "সংখ্যালঘু" নামক কোন ধারণা নেই, বরং তাদের বলা হয় "আহল উয যিম্মা" (চুক্তিবদ্ধ জাতি); এরা খিলাফত রাষ্ট্রে সম্পূর্ণ নাগরিক অধিকার ভোগ করবে; তাদের রক্ত, সম্পদ, সম্মান ও ধর্ম সবকিছুরই নিরাপত্তা দেয়ার ফরয দায়িত্ব খলিফার হাতে। তারা "যিজয়া" নামক একটা ট্যাক্স দিবে কিন্তু তাদের কাছ থেকে যাকাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা নেয়া হবে না। খিলাফতের শাসনামলে অমুসলিমদের নিজস্ব কোর্ট এবং বিচারপতি ছিল যারা নিজেদের ধর্মীয় বিধান অনুসারে বিচার ফায়সালা করতো।

আমাদের রাসুলুল্লাহ (সা) বলে গিয়েছিলেনঃ " যে মুসলিম কোন যিন্মির (অমুসলিম নাগরিক) ক্ষতি করবে, আমি মুহাম্মাদ কিয়ামতের মাঠে তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবো" (রাসুল কারো বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়া অর্থ হোল সে জাহান্নামী)

রাসুল আরও বলে গিয়েছিলেনঃ "যে মুসলিম কোন মু'আহিদ (চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি) কে খুন করবে, সে জান্নাতের গন্ধও পাবেনা যদিওবা জান্নাতের সুঘ্রাণ ৪০ বছর পরিভ্রমণের দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়" [মুস্নাদ আহমাদ]

খিলাফতের ১৪০০ বছরের ইতিহাসে অমুসলিমরা খলিফাদের দ্বারা এরুপেই নিশ্চয়তা পেতেন। তাই ইসলামের ইতিহাস বিকৃতকারী কুখ্যাত "ওরিয়েন্টালইস্ট" রাও বাধ্য হয়েছিল খিলাফতের আওতাধীনে অবস্থানকারী অমুসলিমদের ব্যাপারে সঠিক চিত্র তুলে ধরতেঃ

"জোরপূর্বক অমুসলিম সম্প্রদায়কে মুসলিম বানানো বা নিধন করার কোন ঘটনা আমরা কখনই শুনিনি। যদি খলিফারা এমন ইচ্ছা পোষণ করতেন তাহলে খুব সহজেই খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নির্মূল করতেন যেভাবে রাজা ফারদিনান্দ ও রানী ইসাবেলা স্পেনে মুসলিমদের করেছিলো, ব্রিটিশরা যেভাবে ইহুদীদের ইংল্যান্ড থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল ৩৫০ বছর" [Sir Thomas Arnold, ‘The Preaching of Islam']

তাই যেভাবে আমরা মুসলিমদের বলি খিলাফতের জন্য দাবি তুলুন, ঠিক সেভাবেই আপনাদেরও বলবো নিজেদের নাগরিক নিরাপত্তার জন্য গণতন্ত্রকে পরিহার করে খিলাফতকে সমর্থন করুন।









মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৪

মুসলমানের কাছে ধর্ম বড়


একজন মানুষ যখন ভাষার জন্য যুদ্ধ করে তখন তাকে সন্ত্রাসী বলা হয়না

একজন মানুষ যখন তার দেশের জন্য যুদ্ধ করে তখন তাকে সন্ত্রাসী বলা হয়না

সন্ত্রাসী বলা হয় তখন যখন একজন লোক তার ধর্মের জন্য যুদ্ধ করে

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় কি জানেন?

এই ধর্ম কথাটি শুধু মাত্র ইসলাম ধর্মের বেলায় প্রযোজ্য!

যারা সন্ত্রাসের এ ধরণের সংঞ্জা দিয়ে থাকে তাদের কাছে তাদের ধর্মের চাইতে ভাষা দেশ অনেক বড়

মুসলমানদের মধ্যে যদি কেউ এমন ধারণা করে থাকে তাহলে জেনে নিবেন সে কখনৈ মুসলমান নয় হইত মুসলমানের ঘরে জন্ম নেয়া কেউ হবে

কারন একজন মুসলমানের কাছে যেকোনো কিছুর চাইতে তার ধর্ম বড়