মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৪

ইসলামের দূর্গ এবং সালাত bKASH ...

 ইসলামের প্রথম দূর্গটি হল শাসনব্যবস্থা এবং শেষটি হল সালাত:-
----------------------------------------------
সংসদে সাংসদরা বিভিন্ন আইন পাস করে থাকেন।

সংসদে বসেন ৩৩০ জন । এই ৩৩০ জন কিভাবে ১৮ কোটি মানুষের মনের খবর বা তাদের বর্তমান চাহিদা ও সমস্যা সম্পর্কে অবগত? তারা কি অন্তরজামী ?
তাই আমরা দেখি যারা আইন প্রনয়ন করে থাকেন, তারা কিছুদিন পর পর ওই আইন ভেঙ্গে অন্য আইন প্রনয়ন করেন। এবং বলেন ১৮ কোটি মানুষ এর থেকে উপকার লাভ করবেন।
আজকে খালেদা কোন আইন বানালে বলে হাসিনা বলে ওই আইন বদল কর, ঠিক তেমনি হাসিনা কোন আইন বানালে খালেদা বলে ওই আইন চলবে না। ( এখানে যদিও হাসিনা বা খালেদার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এর সাথে সংশ্লিষ্ট ওই ৩৩০ জন)
যেমন টা আমরা জেনেছি কাবার মাঝে ৩৬০ টি মূর্তির কথা।

যুগের পরিবর্তন কিন্তু ধারনা একি। একি মধ্যযুগীয় ধারনা এই ডিজিটাল প্রেমীদের ?

এই সংবিধানের দোহাই দিয়ে , ওই ৩৩০ জন টাকার এর ক্ষমতার পাহার জমায় যা জনসাধারন হতে শত ক্রোশ দূরে অবস্থান করে।

এরিসটেটল কিংবা লিঙ্কনের সংবিধানে তারা শুধু মাত্র গোত্রীয় সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেছে। যদিও তারা এর কোনই সাফল্য পায় নি , বরং পরবর্তীতে তা অনেক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। যা পশ্চিমাদেশ গুলতে আজো বিদ্ধমান। আর ওই ধারাবাহিকতায় সাড়া বিশ্বে তাদের সমস্যা গনতন্ত্র দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আজকে সাড়া বিশ্ব জুরে অশান্তি, রাহাজানি, মানবাধিকার লঙ্ঘন করে হত্যা, গুম প্রভৃতি দেখতে পাচ্ছি।

মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী ১৪০০ বছরের যুগে সংবিধান তো কোরআন ছিল । কৈ তখন তো কোন সমস্যা ছিল না? তা হলে আজকে এই অবস্থা কেন ?

১৪০০ বছরে চুরি করার জন্য ৭৩ জন কে শাস্তি দেয়া হয়েছিল । ১৪০০ বছরে ৭৩ জন ? বিশ্বাস হয় না? ইতিহাস ঘেঁটে দেখেন।

আমি মনে করি , সাড়া বিশ্বে আজকে যে সকল সমস্যা প্রতিয়মান, তার এক মাত্র সমাধান, কোরআনকে সংবিধান করে ও একটি যাকাত নির্ভর অর্থনীতি বেবস্থার মাধ্যমে সম্পদের সুষম বণ্টন করা ও সেই সাথে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে সাড়া দুনিয়ার মানুষকে মুক্তি দেয়া। মুক্তি দেয়া এই আলিম জালিম শোষক শ্রেণী হতে।

এটা কোন অলিক কল্পনা নয় বরং বাস্তববাদী ধারনা, যা মুসলিমরা ১৪০০ বছর দাপটেরর সাথে অর্ধ বিশ্ব শাসন করলেও মুসলিম বা অ-মুসলিম কারই কোন রকম অভিযোগ ছিল না। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তো অনেক পরের ব্যাপার, অ- মুসলিমরা আরও হেফাজতে থাকত।

পরিশেষে বলতে চাই, আজকে যারা ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের সাথে তুলনা করছে তারা হচ্ছে সংখ্যালঘু। আর সাধারন মুসলিমরা কখনই লিঙ্কন্দের বস্তা পচা গনতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা ইসলামকে রাষ্ট্রে হিসাবে দেখতে চায়। যখন বিপ্লব শুরু হয়েছে, তখন লাখ লাখ বুলেট খরছ করেও এই আদর্শিক বিপ্লব কেউ, কেউই থামাতে পারবে না। সম্ভব না।

যারা জানে ইসলাম একবার এসেছিল, তখন ইসলামি রাষ্ট্র তথা খলিফা কেন্দ্রিক রাষ্ট্র বেবস্থা একটি সুপার পাওয়ার ছিল। আবার যদি ইসলাম এসে তখন তাদের সাধ্য হবে না, তা থামানোর। তারা চাবে এটিকে থামাতে না আসার পূর্ব পর্যন্ত , আর মুসলিমরা চাবে এটিকে ফিরিয়ে আনতে না আশা পর্যন্ত। কিন্তু অবশ্যই আল্লাহ্‌ মুমিনদের সাথেই রয়েছেন। যেখানে আল্লাহ্‌ স্বয়ং মুমিনদের সাহায্য করেন অলৌকিক ভাবে, তখন শত্রু পক্ষ শয়তানের প্রত্যক্ষ সাহায্য নিয়ে কি করতে পারে?


আমরা সমাজে যখন ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলি, তখন অনেকেই বলেন, ইসলাম প্রতিষ্ঠা!! নামাজ পড়ছি, রোযা রাখছি ব্লা ব্লা ব্লা, ইসলাম তো প্রতিষ্ঠিত আছেই... আবার অনেকেই বলেন, সরকার সালাত আদায় বা সাওম তো নিষিদ্ধ করছে না!!

ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান কর্তৃক বর্ণিত, আবু উমামাহ(রা) বর্ণনা করেন, রাসূল(সা) বলেনঃ
"শীঘ্রই তোমরা একের পর এক ইসলামের সুরক্ষিত দূর্গ ভঙ্গ করবে। যখনই একটি দূর্গ ভেঙ্গে যাবে মানুষ নাছোড়বান্দার মত দ্বিতীয়টি ধরে ঝুলে থাকবে। প্রথম দূর্গটি হল ইসলামের শাসনব্যবস্থা এবং শেষটি হল সালাত।"

দ্বীন প্রতিষ্ঠার ফরয দায়িত্ব থেকে দূরে সরে থেকে ফাঁকিবাজিটা কার সাথে করছি??


উমর(রা) ফারুক উপাধি পেয়েছিলেন ইসলাম গ্রহণের পরে, এটা আমরা জানি।
ফারুক শব্দের অর্থ পার্থক্যকারী। অর্থ্যাৎ হক্ব এবং বাতিলের মাঝে পার্থক্যকারী।

এই উপাধি তিনি এমনিতেই পেয়ে যাননি, বরং ইসলাম গ্রহণের সাথে সাথে তিনি বাতিলের দরজায় কড়া নেড়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন হক্বের শক্তির ব্যাপারে। সমাজের প্রচলিত ধারণা বা বাস্তবতার কথা বলে গড্ডালিকা প্রবাহের সাথে গা এলিয়ে দিয়ে চলেননি।

প্রচলিত কুফরী ধ্যান-ধারণাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য দিনরাত এক করেছিলেন....

শুধুমাত্র শাহাদাহ পাঠে ফারুক হওয়া সম্ভব নয়, বরং নিজ সালাত-কুরবানী-জীবন-মৃত্যু আল্লাহ'র নামে সমর্পিত করাতেই এর ফারুক শব্দের মর্মার্থ নিহিত।

=====================================
 bKASHবিকাশ আপনাকে টাকা পাঠানোর service দিচ্ছে আর কাফিরদের সাথে চুক্তিতে সইও করাচ্ছে..... আর মুসলিমদের সাথে যুদ্ধরত কাফিরদের সাথে চুক্তি বৈধ নয়.....

আর এভাবেই আমরা কাফিরদের এজেন্ডা serve করছি.... আর টিভির বিজ্ঞাপন দেখে educated ছেলে হওয়ার চেষ্টায় ব্রত....

উল্লেখ্যঃ 'বিকাশ' ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ এবং মানি ইন মোশন, ইউএসএ এর একটি যৌথ প্রজেক্ট এবং ২০১৩ এর এপ্রিল মাসে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) ও 'বিকাশ' এর
অন্যতম অংশীদার হয়। (তথ্য কমেন্টে)

http://www.prweb.com/.../mobile-banking/prweb8660908.htm

ইসলাম পালন করতে হলে সম্পূর্ণই পালন করা বাধ্যতামূলক। নীতির ধার ধেরে বা গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে চলা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক।

আর অবশ্যই ফারদের দিকে সর্বাধিক খেয়াল রাখা উচিত। আমি যা বলছি, তা হারামের বিরুদ্ধে; আর হারাম থেকে বেচে থাকাই ফারদ
নয় কি?
আমি কোন ফারদ পালন থেকে বিরত থাকলে নাসীহা করবেন ইন-শা-আল্লাহ
আর জুকারবার্গ ইয়াহুদী, নাস্তিক নয়। তার through তে হারবি ফিলানিদের(enemies; whose are fighting with muslims) সাথে আমার কোন চুক্তি সই হয়নি। আল্লাহ ভালো জানেন। 







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন