কেন শরিয়া প্রতিষ্ঠা করতে পারছিনা
সম্প্রতি
পিউ রিসার্চ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৮২% মানুষ রাষ্ট্রীয় সংবিধান হিসেবে
'শরিয়া'কে বাস্তবায়িত হিসেবে চায়। [১] শরিয়ার প্রতি এতো সমর্থন থাকার পরেও
আমরা কেন শরিয়া প্রতিষ্ঠা করতে পারছিনা। এর কিছু কারণ তুলে দেয়া হলঃ
• যে কটি মুসলিম দেশে এখন নামকাওয়াস্তে তথাকথিত গণতন্ত্র আছে সেগুলোর কোনোটিতেই গণতন্ত্র জনগণের মতামত নিয়ে আরোপ করা হয়নি। জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তা না হলে তারা জনগণের কাছে অপশন দিত যে, জনগণ কি ‘ইসলামি শাসন ব্যবস্থা’ চায়, নাকি ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ চায়। অর্থাত্ ইলেকশন আর গণতন্ত্র এক নয়। নির্বাচন হলো পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সর্বোচ্চ সংগঠন রাষ্ট্রের নেতা খুঁজে বের করার একটি উপায়। যা একটি পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও ইসলামি ব্যবস্থা তথা সব ব্যবস্থার মধ্যেই গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচনের একটি উপকরণ মাত্র। ইলেকশন কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ পরিচালনরার আদর্শ নয়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইরাক, ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তানের মানুষ দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক অত্যাচার ও স্বৈরাচারী শাসকদের কারণে যথার্থভাবে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ না পাওয়ায় নির্বাচনে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। গণতন্ত্র আর ইলেকশন এক নয় বলেই পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন অপশন জনগণকে দেয়া হয়নি যে জনগণ পুঁজিবাদী গণতন্ত্র চায়, নাকি সমাজতন্ত্র চায়। [২]
• পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর মুসলিম বিশ্বের স্বৈরশাসকদের ক্ষমতায় নিয়ে আসা ও তাদের সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে মসনদে টিকিয়ে রাখার বিষয়গুলো আজ বুঝতে আর কারও বাকি নেই। ওসমানিয় খিলাফতের পতনের পর মুসলিম ভূ-খণ্ডগুলো থেকে সম্পদ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য ব্রিটিশ-ফ্রান্স-আমেরিকা কখনও স্বৈরশাসক আবার কখনও সেনাবাহিনীকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে। মুসলিম বিশ্বের স্বৈরশাসকদের সঙ্গে আমেরিকার দহরম-মহরম সম্পর্কের কথা কারও না জানা নেই। জামাল আব্দুল নাসের, ইসলাম কারিমভ, হোসনে জাইম, করিম কাসেম, হাফিজ আল আসাদ, জেনারেল সুহার্তো, সাদ্দাম, সৌদ বংশের শাসকগণ, গাদ্দাফি, মোবারক, আইয়ুব খান, জিয়াউল হক, মোশাররফদের মতো বর্তমান ও সাবেক স্বৈরশাসকরা আমেরিকা-ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে টিকে আছে, টিকে ছিল। তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, ইরান, সিরিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির ঘটনা প্রবাহ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, এ দেশগুলোর স্বৈরশাসকদের হাত থেকে জনগণকে মুক্ত করা আমেরিকা-ব্রিটেনের লক্ষ্য নয়। [২]
[১] Pew Research Center
সুত্রঃ http://www.pewforum.org/2013/04/30/the-worlds-muslims-religion-politics-society-beliefs-about-sharia/
[২] মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্রায়নের সঙ্কট ও সম্ভাবনা; খান শরীফুজ্জামা্ন
লেখক ও মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিবিষয়ক এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; shoheldu412@gmail.com
সুত্রঃ https://www.facebook.com/notes/peoples-demand-to-the-sincere-military-officers/মুসলিম-বিশ্বে-গণতন্ত্রায়নের-সঙ্কট-ও-সম্ভাবনা-খান-শরীফুজ্জামান/486221801499196?id=465171920270851
• যে কটি মুসলিম দেশে এখন নামকাওয়াস্তে তথাকথিত গণতন্ত্র আছে সেগুলোর কোনোটিতেই গণতন্ত্র জনগণের মতামত নিয়ে আরোপ করা হয়নি। জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তা না হলে তারা জনগণের কাছে অপশন দিত যে, জনগণ কি ‘ইসলামি শাসন ব্যবস্থা’ চায়, নাকি ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ চায়। অর্থাত্ ইলেকশন আর গণতন্ত্র এক নয়। নির্বাচন হলো পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সর্বোচ্চ সংগঠন রাষ্ট্রের নেতা খুঁজে বের করার একটি উপায়। যা একটি পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও ইসলামি ব্যবস্থা তথা সব ব্যবস্থার মধ্যেই গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচনের একটি উপকরণ মাত্র। ইলেকশন কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ পরিচালনরার আদর্শ নয়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইরাক, ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তানের মানুষ দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক অত্যাচার ও স্বৈরাচারী শাসকদের কারণে যথার্থভাবে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ না পাওয়ায় নির্বাচনে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। গণতন্ত্র আর ইলেকশন এক নয় বলেই পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন অপশন জনগণকে দেয়া হয়নি যে জনগণ পুঁজিবাদী গণতন্ত্র চায়, নাকি সমাজতন্ত্র চায়। [২]
• পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর মুসলিম বিশ্বের স্বৈরশাসকদের ক্ষমতায় নিয়ে আসা ও তাদের সব রকমের সহযোগিতা দিয়ে মসনদে টিকিয়ে রাখার বিষয়গুলো আজ বুঝতে আর কারও বাকি নেই। ওসমানিয় খিলাফতের পতনের পর মুসলিম ভূ-খণ্ডগুলো থেকে সম্পদ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য ব্রিটিশ-ফ্রান্স-আমেরিকা কখনও স্বৈরশাসক আবার কখনও সেনাবাহিনীকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে। মুসলিম বিশ্বের স্বৈরশাসকদের সঙ্গে আমেরিকার দহরম-মহরম সম্পর্কের কথা কারও না জানা নেই। জামাল আব্দুল নাসের, ইসলাম কারিমভ, হোসনে জাইম, করিম কাসেম, হাফিজ আল আসাদ, জেনারেল সুহার্তো, সাদ্দাম, সৌদ বংশের শাসকগণ, গাদ্দাফি, মোবারক, আইয়ুব খান, জিয়াউল হক, মোশাররফদের মতো বর্তমান ও সাবেক স্বৈরশাসকরা আমেরিকা-ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে টিকে আছে, টিকে ছিল। তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান, ইরান, সিরিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির ঘটনা প্রবাহ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, এ দেশগুলোর স্বৈরশাসকদের হাত থেকে জনগণকে মুক্ত করা আমেরিকা-ব্রিটেনের লক্ষ্য নয়। [২]
[১] Pew Research Center
সুত্রঃ http://www.pewforum.org/2013/04/30/the-worlds-muslims-religion-politics-society-beliefs-about-sharia/
[২] মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্রায়নের সঙ্কট ও সম্ভাবনা; খান শরীফুজ্জামা্ন
লেখক ও মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিবিষয়ক এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; shoheldu412@gmail.com
সুত্রঃ https://www.facebook.com/notes/peoples-demand-to-the-sincere-military-officers/মুসলিম-বিশ্বে-গণতন্ত্রায়নের-সঙ্কট-ও-সম্ভাবনা-খান-শরীফুজ্জামান/486221801499196?id=465171920270851
![সম্প্রতি পিউ রিসার্চ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৮২% মানুষ রাষ্ট্রীয় সংবিধান হিসেবে 'শরিয়া'কে বাস্তবায়িত হিসেবে চায়। [১] শরিয়ার প্রতি এতো সমর্থন থাকার পরেও আমরা কেন শরিয়া প্রতিষ্ঠা করতে পারছিনা। এর কিছু কারণ তুলে দেয়া হলঃ
• যে কটি মুসলিম দেশে এখন নামকাওয়াস্তে তথাকথিত গণতন্ত্র আছে সেগুলোর কোনোটিতেই গণতন্ত্র জনগণের মতামত নিয়ে আরোপ করা হয়নি। জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তা না হলে তারা জনগণের কাছে অপশন দিত যে, জনগণ কি ‘ইসলামি শাসন ব্যবস্থা’ চায়, নাকি ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ চায়। অর্থাত্ ইলেকশন আর গণতন্ত্র এক নয়। নির্বাচন হলো পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সর্বোচ্চ সংগঠন রাষ্ট্রের নেতা খুঁজে বের করার একটি উপায়। যা একটি পুঁজিবাদী গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও ইসলামি ব্যবস্থা তথা সব ব্যবস্থার মধ্যেই গ্রহণযোগ্য নেতা নির্বাচনের একটি উপকরণ মাত্র। ইলেকশন কোনো রাষ্ট্র বা সমাজ পরিচালনরার আদর্শ নয়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিসর, ইরাক, ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তানের মানুষ দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক অত্যাচার ও স্বৈরাচারী শাসকদের কারণে যথার্থভাবে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ না পাওয়ায় নির্বাচনে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। গণতন্ত্র আর ইলেকশন এক নয় বলেই পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন অপশন জনগণকে দেয়া হয়নি যে জনগণ পুঁজিবাদী গণতন্ত্র চায়, নাকি সমাজতন্ত্র চায়। [২]
• মুসলিম বিশ্বের সর্বশেষ রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক ছিল উসমানিয়া খিলাফত। ১৯২৪ সাল নাগাদ মুসলিমদের রাজনৈতিক উদাসীনতা ও দীর্ঘমেয়াদি পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের কারণে ভেঙে পড়ে খিলাফত ব্যবস্থা। যে ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক ছিল সামরিক বাহিনীর সদস্য কামাল আতাতুর্ক। খিলাফতকে ভেঙ্গে তুরস্ককে সেকুলারাইজ করারও মূল নায়ক। ষড়যন্ত্র সফল হওয়া ১৯২৪ সালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব লর্ড কার্জন পার্লামেন্টে সদম্ভে ঘোষণা করেছিলেন,‘বাস্তবতা এমন যে, তুরস্ক আজ মৃত, আর কখনো সে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। কারণ, আমরা তার নৈতিক শক্তিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, আর তার নৈতিক শক্তি ছিল খিলাফত ব্যবস্থা ও ইসলাম।’ (“The situation now is that Turkey is dead and will never rise again, because we have destroyed its moral strength, the Caliphate and Islam”.) লর্ড কার্জন সতর্ক করে বলেন, আমাদের সে সব বিষয়গুলোও ধ্বংস করতে হবে যা মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে। কার্জনের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি ৬ অক্টোবর, ২০০৫ আমরা ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রসচিব চার্লস ক্লার্কের হেরিটেজ ফাউন্ডেশন (British Home Secretary Charles Clarke) বক্তব্যের মাঝেও পাই। তিনি বলেন, খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শরিয়া আইন বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোনো আলোচনা হতে পারে না ঐ পথে হাঁটার ব্যাপারে মুসলিমদের হুশিয়ারি করা হয়েছে।” অর্থাত্ উপরোক্ত বক্তব্য থেকে বোঝা যায় খিলাফতের পতন ছিল মুসলিম বিশ্বেও মানুষের জন্য একটা টার্নিং পয়েন্ট। মূলত এরপর থেকে শুরু হয় পশ্চিমা পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলোর মুসলিম ভূ-খণ্ড দখল ও সম্পদের ভাগ-বাটোয়ারা। সশস্ত্র আগ্রাসন ও অসমযুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হয় এ রাষ্ট্রগুলোর উপর। নির্বিচারে শুরু হয় আবাল-বৃদ্ধা-বণিতা-যুবকদের নিষ্পেষণ, ধর্ষণ ও গণহত্যার উত্সব। আফগানিস্তান ও উপসাগরীয় যুদ্ধ এবং সর্বশেষে ৯/১১ পর তথাকথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এ অঞ্চলের ঘটনা প্রবাহে নতুনমাত্রা সৃষ্টি করেছে। যাই হোক, খিলাফতের পতনের পর মুসলিম বিশ্বে সৃষ্টি হয় ‘ভ্যাকুম অব পলিটিক্যাল সিস্টেম অ্যান্ড পলিটিক্যাল লিডারশিপ’ (vacuum of political system and political leadership). ফলে শুরু হয় সামরিক শাসন, রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র ও সর্বশেষে পুতুল সরকার ব্যবস্থা। তবে, এসব ব্যবস্থার অনুকূলে পশ্চিমা পুঁজিবাদী শাসক গোষ্ঠীর প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় ও ইন্ধন ছিল, এখনও আছে, যারা বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের সাম্য ও স্বাধীনতার এক অলীক ধারণা বিকিয়ে যাচ্ছে মুখরোচক আলোচনার টেবিলে। [২]
[১] Pew Research Center
সুত্রঃ http://www.pewforum.org/2013/04/30/the-worlds-muslims-religion-politics-society-beliefs-about-sharia/
[২] মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্রায়নের সঙ্কট ও সম্ভাবনা; খান শরীফুজ্জামা্ন
লেখক ও মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিবিষয়ক এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; shoheldu412@gmail.com
সুত্রঃ https://www.facebook.com/notes/peoples-demand-to-the-sincere-military-officers/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/486221801499196?id=465171920270851](https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn2/s526x395/1512607_486184428169600_105160915_n.png)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন