শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৪

মাওলানা মওদুদী কিয়াস হচ্ছে

জামাআত শিবিরের ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণঃ

মাওলানা মওদুদী (রঃ) বলেছিলেন-

“আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখুন, এই তাওহীদি আক্বীদা বিশ্বাস নিয়ে আমরা কিভাবে এ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারি?
……একদিকে আমরা আল্লাহর বিধান হতে মুক্ত হয়ে আইন প্রণয়ন করাকে শিরক বলে ঘোষণা করছি, অপরদিকে আমাদের নিজেদের ভোটেই ঐ সমস্ত লোকদের আইন সভার সদস্য নির্বাচিত করবো যারা আল্লাহর ক্ষমতা ও ইখতিয়ারকে খেয়ানত ও পদদলিত করার জন্য পার্লামেন্টে যেতে চায়।
এমনটি করা কি আমাদের জন্য বৈধ হতে পারে?

আমরা যদি আমাদের ঈমান-আক্বীদার ব্যাপারে সত্যবাদি হই তাহলে এ ব্যাপারে আমাদের জন্য কেবল একটি পথই খোলা আছে। আর তা হচ্ছে, আমাদের সমস্ত শক্তি সামর্থ কেবল মাত্র এ মূলনীতির স্বীকৃতি লাভের
জন্যই ব্যয় করবো যে, সার্বভৌমত্ব কেবল আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট এবং আইন প্রণিত হবে কেবলমাত্র আল্লাহর কিতাবের ভিত্তিতে”।
(তরজুমাতুল কোরান, রমজান-শাওয়াল, ১৩৬৪ হিঃ, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ১৯৪৫)

[উপমহদেশের স্বধীনতা আন্দোলন ও মুসলমান, পৃঃ ২২৫-২২৬, আধুনিক
প্রকাশনী]

খুবই সুষ্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান আলাদা হবার আগ পর্যন্ত মওলানা মওদুদী (রঃ) কুফরী মানবরচিত মতবাদের
অনুসারী দলগুলোর কোন সদস্যকে ভোট দেয়ার ব্যাপারে উপরুক্ত মতামত পোষণ করতেন। এই ব্যাপারে এটাই ছিলো উনার ফতোয়া।

এখন প্রশ্ন হচ্ছেঃ

ক) মাওলানা মওদূদী কোন কোন দলীলের ভিত্তিতে ‘যারা আল্লাহর ক্ষমতা ও ইখতিয়ারকে খেয়ানত ও পদদলিত করার জন্য পার্লামেন্টে যেতে চায়’ (যেমনঃ বিএনপি) তাদেরকে ভোট দেয়াকে অবৈধ বা হারাম মনে করতেন?

খ) ১৯৪৭ সালের পর কি উনার উপরুক্ত অবস্থান পরিবর্তন হয়েছিলো? হয়ে থাকলে, কোন কোন দলীলের ভিত্তিতে সেটা পরিবর্তন হয়েছিলো?

গ) বর্তমানে জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের ভাইরা যে, বিএনপি তথা ‘ধানের শীষকে’ শুধু ভোটই দিচ্ছেন না, বরং অর্ধেকের
বেশী আসনে বিএনপি এর জন্য মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন -মওলানা মওদূদীর ১৯৪৭ সালের আগের ফতোয়া অনুযায়ী এই কাজটা কি হারাম
হচ্ছে না?

বর্তমান জামাতে ইসলামীর আলেম ও
থিংক-ট্যাংকগণ ‘কোন কোন দলীলের’ ভিত্তিতে “যারা (যেমনঃ বিএনপি,
আওয়ামী লীগ) আল্লাহর ক্ষমতা ও ইখতিয়ারকে খেয়ানত ও পদদলিত করার জন্য পার্লামেন্টে যেতে চায়” – তাদেরকে ভোট দেয়া বৈধ বলে সাব্যস্থ করছেন?

- তাদের জন্য মানুষের
দুয়ারে দুয়ারে ভোট চাওয়া বৈধ বলে সাব্যস্থ করছেন?

জামাতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের ভাইদের জানা থাকলে, দয়া করে জানাবেন।

উল্লেখ্যঃ ইসলামি শরীয়াতে দলীল অর্থ
হলোঃ কুরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াস।

এবং কিয়াস হচ্ছে-

The majority of ulema have defined qiyas as the application to a new case (far'), on which the law is silent, of the ruling (hukm) of an original case (asl)
because of the effective cause (illah) which is in common to both. [Al Amidi,
Al Ihkam, III, 186]

যার সারমর্ম হচ্ছেঃ

কিয়াস হলোঃ আসল
শরয়ী হুকুম, ইল্লত (কার্যকরণ) ও (যে ব্যাপারে শরীয়াতের সুস্পষ্ট হুকুম নেই সেই) নতুন বিষয়ে শরয়ী হুকুম এর সমষ্টি।

তাই কেউ
মওলানা মওদুদী অথবা জামাতে ইসলামীর শূরা সদস্যগণ কিয়াস করেছেন
দাবী করলে, দয়া করে ‘আসল শরয়ী হুকুম’, ‘ইল্লত’ ও ‘নতুন বিষয়ে শরয়ী হুকুম’ সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ করবেন।

যারা এই প্রশ্নের উত্তরে সুষ্পষ্টভাবে শরীয়াতের দলীল উল্লেখ করতে পারবেন, শুধু তারাই উত্তর দিবেন। এখানে ‘আমার মনে হয়’, ‘হয়তো তারা এই এই কারণে’ – ইত্যাদি ধরনের কোন কথা না বলার জন্য অনুরোধ করা হলো।

উল্লেখ্যঃ এই পোষ্টে উল্লেখিত প্রশ্নের বাইরে অন্য কোন ব্যাপারে জামাতে ইসলামী ও
ইসলামী ছাত্র শিবিরের ভাইদের প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকার জন্য
সবাইকে অনুরোধ করছি,
যাতে আলোচনা ভিন্ন দিকে মোড় না নেয়।

জামায়াতে ইসলামী ও
ইসলামী ছাত্রশিবিরের
ভাইদেরকে অনুরোধ করছি, আপনারা এই আলোচনায় শরীক হোন। হয়তো এই আলোচনাগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন মানহাজের অনুসারী মুসলমান ভাইদের মধ্যে ভুল-বুঝাবুঝি কিছুটা দূর হবে।
এবং আল্লাহ হয়তো আমাদের সবাইকে তাঁর দ্বীনের জন্যে একত্রে কাজ করার সুযোগ দান করবেন। অন্ততঃ আমরা একে অন্যকে অন্যায়ভাবে বিরোধিতা করা থেকে, অন্যের উপর জুলুম করা থেকে মুক্ত থাকতে পারবো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হক্বের উপর ঐক্যবদ্ধ হবার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেনো এই বিপদগ্রস্থ মুসলিম উম্মাহকে সাহায্য করেন। সবাইকে পরিপূর্ণ ইসলামের উপর চলার তৌফিক দান করেন।

= = = = = = =

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

আমাদের (তথা JI BICS ভাইদের) উদ্দেশ্যে এ প্রশ্নগুলো করেছেন শ্রদ্ধেয়




আমরা সবাই ব্যবসায়ী, টাকার পেছনে দৌড়াচ্ছি। ইসলামীক সাংস্কৃতির বিকাশে টাকা ঢেলেতো লাভ নেই, তার চাইতে বৈশাখী কোনো অনুষ্ঠানের স্পন্সর হলে ভালো প্রচারণা পাওয়া যাবে। সেখানে নৃত্য হবে, গান হবে, মৌলবাদ বিরোধী নাটক হবে, হাত তালি হবে, ব্যবসায়ের প্রসার হবে। অনেক অনেক টাকা হবে, সেই টাকা দিয়ে স্বপরিবারের মক্কায় গিয়ে হজ্ব করা যাবে।
সবচাইতে বেশি যে লাভ হবে সেটা হচ্ছে, নামের পূর্বে আলহাজ্ব লাগানো যাবে।

# রাম-বামরা যেভাবে ফাকা মাঠে গোল দিচ্ছে এর জন্য আমরাই দায়ী। 




হানীন ইলদারম
ক্রমান্বয়ে সংকীর্ণ
হয়ে আসছে জামাত-
শিবিরের
চলার পথ
জনাব কাদের
মোল্লা সাহেবের
ফাসি হল।
আমিসহ প্রায় সব
কওমী প্রতিবাদ-
সমবেদন
া-
মাগফিরাত
কামনা করে স্ট্যাটাস
দিলাম। তখন
দেখলাম অনেক
কওমী এক্টিভিষ্ট
আবেগাপ্লুত
হয়ে কেদে দিয়েছেন,
অনেকে বলেছেন,
যারা কাদের
মোল্লার
ফাসি নিয়ে উল্লাস
করবে তাদেরকে বিনা নোটিশে আনফ্রেন্ড
করা হবে।
কিন্তু কিছুদিন
পরেই জামাত-
শিবিরের
ভায়েরা আমাদের
এই
সমবেদনার যথার্থ
মুল্যায়ন করলেন!!
যখন ২৫
শে ডিসেম্বর
হেফাজত
ঢাকায়
মহাসমাবেশ
করতে ব্যর্থ
হলো তখন
তারা টিটকারী করে আমাদেরকে মুল্যায়ন
করলেন।
সর্বশেষ
তারা আমাদেরকে মুল্যায়ন
করলেন
গতদিনের
হেফাজতের
মহাসমাবেশকে উপহাস
করে। এখন
তাদের
ভাষা হচ্ছে হেফাজতে নাস্তিক,
হেফাজতে লীগ
ইত্যাদি।
যা উল্লেখ
করতেই
ইচ্ছে করছে না।
কিন্তু জামাত-
শিবিরের
ভায়েরা হয়তো বুঝতে ভুল
করছেন
এসব
টাট্টা তামাশা করে নিজেদের
চলার পথ
আরো সংকীর্ণ
করছেন।
এম্নিতেই দেশের
সবচেয়ে সংকীর্ণমনা এবং সংকীর্ণ
পরিবেশের দল
হচ্ছে এই জামাত।
তাহলে কী হবে আগামীতে?
আসুন এবার
দেখি কীভাবে জামাত-
শিবির
সংকীর্ণ-
* একাত্তরের
কারণে দেশের
রাম-
বামের
কোনোভাবেই সহ্য
করে না এই
জামাতকে।
*দেশের বিরাট
জনগোষ্ঠি আওয়ামীলীগের
সাথে তাদের
বাহ্যিক
স্থায়ী শত্রুতা।
* জাপার একাংশ
কাছে পাওয়ার
পর বিএনপির
কাছে জামাত
টিস্যু
পেপারের
মতো হয়ে গেছে।
তাছাড়া তাগুত
রফিকুল হকসহ
বেশ
কজন
বিএনপিপন্থী বুদ্ধিব্যবসায়ী বিএনপিকে জামাত
তালাকের নসিহত
করছেন।
*
ইসলামী আন্দোলন
এবং চরমোনাই
পীর সাহেবের
সাথে তাদের
রাজনৈতিক-
আদর্শি ক
দুরত্ব।
* শায়খ
জাওয়াহিরির
বার্তাপ্রকাশের
পর তারা শায়খ
উসামা বিন লাদেন
রাহ.এর
ছবিকে বিকৃত
করার কারণের
সবধরনের
জিহাদীদের
সাথে তাদের
দুরত্ব
তৈরি হয়েছে।
তাছাড়া জিহাদী-
খিলাফতপন
্থীদেরকে তারা কোনোভাবেই
সহ্য
করতে পারে না।
* সর্বশেষ
হেফাজতের
সাথে তাদের
দুরত্ব।
বাংলাদেশের আর
কোনো দল
এতো সংকীর্ণ হয়
নি যতটুকু
সংকীর্ণ
হয়েছে এই
জামাত-শিবির।
তাগুতবাহিনী তো তাদেরকে এম্নিতেই
দুরে টেলে দিয়েছে আর
ইসলামী দলকে তারাই
দুরে টেলে দিয়েছে।
কোনো ইসলামিদলের
প্রতি তারা কোনোদিনই
সত
ধারণা পোষণ
করেনি। একান্ত
নিভৃতে যদি তাদের
কোনো নেতার
পাশে বসেন
তাহলে দেখবেন
অন্যদলের
প্রতি তাদের
মনোভাব।
স্বার্থের
খাতিরে যদিও
কখনো সখনো এক
হয়েছে কিন্তু
যখুনি তাদের
স্বার্থের
উল্টো হয়েছে সাথে সাথে তারা ওইদলের
প্রতি বিভিন্ন
অপবাদ দিয়েছে।
দেশের
প্রতিটি দল
তাদেরকে মুনাফিকই
মনে করে।
কেউ
তাদেরকে বিশ্বাস
করে না।
কারণ স্বার্থের
জন্যে তারা কখনো এরশাদের
লাঙ্গল হবে,
কখনো বিএনপির
সিড়ি হবে,
কখনো আওয়ামীলীগের
মই হবে।
কখনো শাহবাগে চাদা দিবে,
কখনো প্যারেড
ময়দানে দান
করবে।
স্বার্থের
কারণে তারা সৌদীআরবে টাকা খাইবে,
শীয়ারাষ্ট্র
ইরানের
টাকা নেবে,
তুরস্কের
কাছে হাত
পাতবে, আবার
আমেরিকার
কাছে বিচার
চাইবে ইত্যাদি।
আর তাদের
স্বার্থ
হচ্ছে ব্যবসা-
বাণিজ্য,
হাসপাতাল-
ব্যাংক
ইত্যাদি।
তাদের
মুনাফেকী যে শুধু
বাংলাদেশে তা নয়।
বরং বিশ্বের
যেথায় জামাত
সেথায় মুনাফিক।
জামায়াতে ইসলামী আফগানিস্তানের
প্রধান
হচ্ছে বুরহানুদ্দিন
রব্বানি।
আমেরিকার
আপত্তি না থাকায়
সে রাশিয়াবিরোধী জিহাদে অংশগ্রহণ
করে। কিন্তু
যেইমাত্র
আমেরিকা আফগানিস্তানে হামলা চালায়
তখন
সে আমেরিকার
সাথে যোগ
দেয়।
এবং আমেরিকাকে আহবান
করে তালেবানের
বিরুদ্ধে কঠোর
হতে।
পরে তালেবান
তাকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়।
জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের
প্রধান ছিল মৃত
কাযী হোসাইন
আহমদ।
সে একবার
সৌদীআরবে গিয়ে তেহরীকে তালেবান
পাকিস্তানকে সন্ত্রাসী সংগঠন
বলে। পরে যখন
তালেবান
শক্তিশালী হয়ে যায়
তখন তাদের
বর্তমানপ্রধান
মুনাওয়ার হাসান
তালেবানের
হয়ে কথা বলা শুরু
করেন। তাই
তালেবান তাদের
একজনকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গ্রহণ
করে।
তারা যদি মনে তাদের
ব্যাংক,
হাসপাতাল,
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
মিডিয়া আছে তাই
অনেক
শক্তিশালী।
তাহলে তাদের
জেনে রাখা উচিত,
এগুলো ইখওয়ানেরও
ছিল কিন্তু
বিপদের সময়
কিছুই
কাজে আসেনি।
মুরসি যাদেরকে বন্ধু
বানিয়েছিলেন
আজ
তারা কোথায়?
ইরান-আমেরিকা-
সৌদীআরব
তো তাদের
জন্যে কিছু
করে নি।
উল্টো তারা ফেরআউন
সিসিকে সাহায্য
দিয়েছে।
কিন্তু
তিনি যাদেরকে দমন
করতে সিনাইতে সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন
আজ সিনাইয়ের
সেই
জঙ্গিগোষ্ঠি আন্সারুল
বায়তিল
মাকদিস রাবেয়া-
নাহদা স্কয়ারের
গণহত্যার
প্রতিশোধ
নিচ্ছে।
আলহামদুলিল্লাহ
দুই
সপ্তাহপুর্বে আল
জাজিরার
রিপোর্ট
অনুযায়ী তারা এযাবত
২৫২ জন
ফেরআউনসেনাকে হত্যা করেছে আর
আহত
করেছে ১৮৭
সেনাকে।
জামাত-শিবিরের
ভায়েরা,
এখনো সময়
আছে শত্রুমিত্র
চিনতে শিখুন।
নতুবা দেখবেন
আপনাদের
শিবিরকর্মী গণতন্ত্রের
জন্যে পেট্রোলবোমা হাতে রাস্তায়
পড়ে আছে কেউ
তাকে হাসপাতালে যাচ্ছে না।
আপনাদের
নেতাদেরকে তিনতলার
ছাদ
থেকে গুলি করে নিক্ষেপ
করা হয়েছে কেউ
টু শব্দ করছে না।
ক্রেকডাউনের
নামের জামাত
শিবিরের
বিভিন্ন এলাকায়
তান্ডব
চলছে কেউ উহ
শব্দ করছে না।
একেরপর এক
নেতা ফাসির
দড়িতে ঝুলছেন
বাকীরা তামাশা দেখছে।
কারণ
আপনারা যে শান্তিবাদী তাই
তালেবান-
আলকায়দা
র পথ
ধরবেন
না।
আপনারা যেই
আমেরিকা-ইরান-
তু
রস্ক-সৌদী-
বিএনপ িকে বন্ধু
মনে করেন
এরা কেউই
আপনাদের
টিস্যুপেপার
ছাড়া অন্যকিছু
মনে করে না।
আর
যারা এগিয়ে আসার
সম্ভাবনা রাখে তাদেরকে আপনার
দুরে টেলে দিয়েছেন।
আপনারা দেখেছেন
৫ই মে'র পর
আপনাদের উপর
কত নির্যাতন
বয়ে গেছে কিন্তু
কারা এর
বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে?
মনে আছে আল্লামা বাবুনগরি কি বলেছেন?
আপনারা বলেন
জামাত
না থাকলে এদেশে কওমী থাকবে না।
তাহলে শুনুন,
জামাতের
প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী সাহেব
প্রথমে কওমীদের
পত্রিকা সাপ্তাহিক
জমিয়তে চাকুরি করতেন।
পরে ১৯৪১
সালে জামাতের
জন্ম দেন। আর
কওমীর জন্ম
হয়েছে ১৮৬৬
সালে দারুল উলুম
দেওবন্দ
প্রতিষ্ঠার
মাধ্যমে।
দেওবন্দের
প্রতিষ্ঠাতা হুজ্জাতুল
ইসলাম
কাসিম
নানুতবি রাহ
১৮৫৭
সালে শামেলীর
ময়দানে মুজাহিদদের
নেতৃত্ব
দিয়েছিলেন।
সুতরাং যখন
জামাত ছিল
না তখনো কওমী ছিল।
যখন জামাত
থাকবে না তখনো কওমী থাকবে ইনশা আল্লাহ।
আমরা দুনিয়াবী যুক্তি-
বস্তুর উপর ভর
করি না। এক
আল্লাহর উপর
ভরসা করি।
তো আপনারা শত্রুমিত্রকে কুরআন-
সুন্নাহের
আলোকে যাচাই
করুন।
গণতন্ত্রের
আলোকে নয়।
সত্যকে নিরপেক্ষ
দৃষ্টিতে দেখুন
সন্দেহের
তীরে নয়।


 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন