প্রচলিত তাবলীগ জামায়াত বনাম ইসলামী আন্দোলণ।।
প্রশ্ন- ছয় চিল্লা দিয়ে দেশ বিদেশ সফর করে, সাথে আরও বিশ ত্রিশ বছর ধরে মারকাজে সময় কাটানোর পরেও তাবলীগের কোন কোন সাথী কি কারণে সেকুল্যার কুফরি মতবাদের সমর্থক থাকতে পারে ? সুযোগ পেলেই কেনইবা নাস্তিক্যদের সহযোগী হয়ে তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে শরীক হয়? উদাহারণ চাইলে শত শত লোকের ফিরিস্তি দেওয়া যেতে পারে। এর কারণ কি ?
প্রশ্ন- ছয় চিল্লা দিয়ে দেশ বিদেশ সফর করে, সাথে আরও বিশ ত্রিশ বছর ধরে মারকাজে সময় কাটানোর পরেও তাবলীগের কোন কোন সাথী কি কারণে সেকুল্যার কুফরি মতবাদের সমর্থক থাকতে পারে ? সুযোগ পেলেই কেনইবা নাস্তিক্যদের সহযোগী হয়ে তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে শরীক হয়? উদাহারণ চাইলে শত শত লোকের ফিরিস্তি দেওয়া যেতে পারে। এর কারণ কি ?
উত্তর- তাবলীগ জামায়াত মুলত আম জনতার জন্য ইসলাহী সংগঠণ। এতে সকল মত ও
পথের লোকেরা শরিক হতে পারে। চিন্তা, কর্মে বিভ্রান্ত আকীদা বিশ্বাসের
লোকেরা এখানে আসে এবং কিছু সময়ের জন্য হেদায়েতের বয়ান শুনে চলে যায়। যারা
বেশি দিন সময় দেন তারা কিছুটা হলেও আমল আখলাকে উন্নতি করার সুযোগ পান।
কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, প্রশ্নে উল্লেখিত ব্যক্তিদের সংখ্যা কিন্তু
অগনিত। এর কারণ হলো, সেখানে যাওয়ার পরে তাদের কে নবী রাসুলদের প্রদত্ত
তরিকায় দাওয়াত ও তরবিয়াত দিয়ে আকীদা বিশ্বাসের ত্রুটি বিচ্যুতি সংশোধণ না
করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কতিপয় আমল আখলাকের দিকে নজর দেওয়া হয়। বলা হয়
আমরা নবীর তরিকায় দাওয়াত দেই। বিষয়টি সত্য কিন্তু নবীর ভাষায় দাওয়াত দেওয়া
হয়না। নবীর (স) দেখানো সুন্নাত মোতাবেক দিক নির্দেশণা দেওয়া হয় না। বিশেষ
করে একটি কথা না বললেই নয়, প্রত্যেক দেশের জন্য একই উসূল নির্ধারণ করা
অবশ্যই সুন্নাহর খেলাফ। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্রের দাওয়াত ও তাবলীগের
ভাষার সাথে অমুসিলম রাষ্ট্রে কর্মসূচীতে আকাশ পাতাল ফারাক থাকার কথা থাকলে
এখানে সেটা নেই। ফলে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে তাবলীগের প্রচলিত কর্মসূচী এক
ধরণের ফেতনার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। বিষয়টি সামনের আলোচণায় পরিস্কার হয়ে যাবে।
মুলত ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিবর্তে কতিপয় আমল আর উসুলের বয়ানের মধ্যে নিজেদের আহ্বান সিমাবদ্ধ রাখার কারণে তাবলীগ জামায়াতের সাথে অনেক দিন সময় লাগানোর পরেও অধিকাংশ লোকজন সম-সাময়িক ফেতনা সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান পায় না। ঈমান ধ্বংসকারী কাজ ও চিন্তা থেকে মুক্ত থাকার শিক্ষা পায় না। ঈমান আনার প্রাথমিক শর্তগুলো নিয়ে সরাসরি কোন আলোচণা হয় না বলে বর্তমান প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় ঈমানের মৌলিক দাবিগুলো নিয়ে বাস্তবতার আলোকে অধ্যায়ণ করারও সুযোগ হয় না। ফলে লোকজনের অন্তরে পোষণ করা পুর্বের আকীদা বিশ্বাসের গোমরাহীর কোন পরিবতণ না হলেও আমল আখলাকে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। এটাকেই বিশাল সফলতা বলে প্রচার করা হয়। অথচ বহু বিধমী আছে যাদের আমল আখলাক অত্যান্ত উচু মানের কিন্তু তারা জাহান্নামী হবেন। কেণনা এই ব্যক্তি আমলের দিক দিয়ে উচ্চতায় আসতে পারলেও সত্যিকারের ঈমানের দৌলত হাত ছাড়া করেছে। এ কারণে প্রত্যেক নবী রাসুলগণ তাদের উম্মাতকে ঈমান আনার সাথে সাথে ঈমান ধ্বংসকারী বিষয়গুলো সম্পর্কে অত্যান্ত পরিস্কার ভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সে সম্পর্কে সচেতণ করতেন।
অথচ তাবলীগের বিরুদ্ধে ঘোতর অভিযোগ রয়েছে যে, তারা ওজু ভংগের কারণ শিখালেও ঈমান ভংগের কারণ শিখাতে পারছেন না কোন এক অজ্ঞাত কারণে। ফলে এই জামায়াতে আগত লোকেরা নিজেদের মধ্যে আলোচিত খুটিনাটি বিষয়কেই ইসলাম ভেবে এর পেছনে গোটা জীবনের মুল্যবান সময় অতিবাহতি করে দেয়, ঈমানের অন্যান্য আনুসাঙ্গীক ফরজীয়াতগুলো সম্পর্কে বেখবর থেকে যায়। যার কারণে অধিকাংশ লোকেরা তাবলীগের সময় দেওয়ার পরেও সমকালিন শিরক আর কুফরি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সম্বলিত শিক্ষা না পাওয়ার কারণে অজ্ঞাতসারে নিজেদের অন্তরে রক্ষিত বাতিলের প্রতি পুর্বের আকীদা বিশ্বাস বহন করে পথ চলেন আর ভাবেন এসব কিছু ঈমান আর আমলের তরক্কির প্রতিবন্ধক নয়। কেননা তাদের উসুলে বা বাতিলের সংজ্ঞায় সম-সাময়িক গোমরাহীর কোন আলোচণা হয় না বলেই চলে। ফলে তাগুতের অনুশারীরাও সাময়িক ফায়দার জন্য তাদের দারস্থ হয়ে থাকেন। নিজেদের হাজারো অপকর্মগুলো ঢাকার স্বার্থে নিজেদের জীবনে ধার্মীকতা কিছু রং মাখতে তারা তাবলীগ জামায়াতকে ব্যবহার করতে পারেন অনাশায়ে।
এই সমস্যা মুল কারণ হলো, প্রায় একই ধরণের বয়ান আর বিবৃতি প্রত্যেক দেশের জন্য বরাদ্ধ করে দেওয়া। অথচ আল্লাহ পাক তার রাসুল প্রেরণের নীতিমালায় স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন যে, তিনি প্রত্যেক জনপদের লোকদের কে ঈমানের দাওয়াত দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সমকালিন সব থেকে বড় বড় গোমরাহী সম্পর্কে সচেতণ করার জন্য আলাদা আলাদা করে নবী প্রেরন করেছেন। একেক অঞ্চলের উপযোগী দাওয়াতী বক্তব্য আর কর্মসূচী দিয়ে আম্বিয়াদেরকে প্রেরণ করেছেন। উদাহারণ হিসেব ধরুন- নুহ আ কে পাঠানো হলে তার যুগের সব থেকে বড় গোমরাহী মৃত বুজুর্গলোকদের নামে মুর্তি তৈরি করে তার পুজার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য। পাশাপাশি গোমরাহ নেতাদের আনুগত্য না করে তার আনুগত্য করতেও আহ্বান জানালেন দ্যার্থহীন্ ভাবে। সুরা মুমিনুনে এই বিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে।
লূত আ কে প্রেরণ করা হলে কলেমার দাওয়াতের পাশাপাশি তিনি তার সময় কার প্রচলিত প্রধান গোমরাহী সমকামিতার বিরুদ্ধে চরম আওয়াজ তোলেন। শোয়াইব আ কে প্রেরণ করা হলে তিনি ওজনে কম দেওয়ার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেন। এ জন্য তাকে বিরাট ফেতনার মোকাবেলা করতে হয়েছে। তার সমাজে ডাকাতীর ঘটনা ছিলো নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। অবাধে খুন রাহাজানীও চলছিলো। তিনি এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে।
ফেরাউনের বিরুদ্ধে মূসা আ কে প্রেরণ করা হয় বনী ইসরাঈলকে মুক্ত করার অগ্রাধিকার দিয়ে। মূসা আ ঈমানের দাওয়াত দেওয়ার পাশাপাশি তাকে স্পষ্ট বলে দেন বনী ইসরাঈল কে আমার সাথে দিয়ে দাও। ফেরাউন এ কাজে স্বৈরাচারের ভূমিকায় অবর্তিণ হয়। মূসা আ এর দাওয়াতের ভিতর সে তার সাম্রাজ্যের পতণ দেখতে পেয়ে তার ওমরাহদের কে বলেছিলো-আমি আশংকা করছি সে আমাদের জীবন ব্যবস্থা বদলে দেবে অথবা দেশে বিপর্যয় সৃষ্টি করে দেবে- সূরা আল মুমিন-২৬।
এসব ঘটনাবলী কিন্তু কোরআনেই রয়েছে। এসব থেকে এই সবক পাওয়া যায় যে, দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ হলো নবীওয়ালা জিম্মাদারী। অতএবর সকল ভয়ভীতির উদ্ধে উঠে নবীদের মতো দায়িত্ব্য পালণ করতে হবে। সমকালিন কুফরী আর গোমরাহীর বিরুদ্ধে আওয়াজ উত্থিত করে তার বিরুদ্ধে লোক সকল কে হুশিয়ার করাই নবীওয়ালা কাজ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তাবলীগ জামায়াতের অনেক সাথীও বলতে পারেন না সমকালিন জগতে সব থেকে সর্বনাশা ফেতনা কোনটি যা সাধারণ মানুষকে ঈমানের বিপরিত পথে নিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থার কারনেই প্রশ্নে উল্লিখত উদাহারণের সম্মুক্ষিন হতে হচ্ছে। এ অবস্থা এক প্রকার ফেতনার মতোই। লোকজন ভাবে সে শরীয়াত প্রদত্ত দায়িত্ব্য পালণ করছে কিন্তু সে সত্যিই পথ হাড়ার মতো আচরণ করছে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা বলেন, নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়া সত্বেও অনেক লোক সত্য পর্যন্ত পৌছতে পারে না।
পরবর্তি প্রশ্ন হলো-
প্রচলিত ইলিয়াস (রহ) এর দেখানো তাবলীগের সাথে সমসামিয়ক ইসলামী রাজনীতির মৌলিক পার্থক্য কি ? ইসলামী রাজনীতি বলতে জামায়াত ইসলামীই নয়, সকল হক্কানী দলের বৈশিষ্টের কথাই বলা হচ্ছে। (সাথেই থাকুন, পারলে শেয়ার করুন। যুক্তি সংগত ভূলগুলো শুধরে নিতে সহায়তা করুন।)
মুলত ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিবর্তে কতিপয় আমল আর উসুলের বয়ানের মধ্যে নিজেদের আহ্বান সিমাবদ্ধ রাখার কারণে তাবলীগ জামায়াতের সাথে অনেক দিন সময় লাগানোর পরেও অধিকাংশ লোকজন সম-সাময়িক ফেতনা সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান পায় না। ঈমান ধ্বংসকারী কাজ ও চিন্তা থেকে মুক্ত থাকার শিক্ষা পায় না। ঈমান আনার প্রাথমিক শর্তগুলো নিয়ে সরাসরি কোন আলোচণা হয় না বলে বর্তমান প্রেক্ষাপটের বিবেচনায় ঈমানের মৌলিক দাবিগুলো নিয়ে বাস্তবতার আলোকে অধ্যায়ণ করারও সুযোগ হয় না। ফলে লোকজনের অন্তরে পোষণ করা পুর্বের আকীদা বিশ্বাসের গোমরাহীর কোন পরিবতণ না হলেও আমল আখলাকে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। এটাকেই বিশাল সফলতা বলে প্রচার করা হয়। অথচ বহু বিধমী আছে যাদের আমল আখলাক অত্যান্ত উচু মানের কিন্তু তারা জাহান্নামী হবেন। কেণনা এই ব্যক্তি আমলের দিক দিয়ে উচ্চতায় আসতে পারলেও সত্যিকারের ঈমানের দৌলত হাত ছাড়া করেছে। এ কারণে প্রত্যেক নবী রাসুলগণ তাদের উম্মাতকে ঈমান আনার সাথে সাথে ঈমান ধ্বংসকারী বিষয়গুলো সম্পর্কে অত্যান্ত পরিস্কার ভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সে সম্পর্কে সচেতণ করতেন।
অথচ তাবলীগের বিরুদ্ধে ঘোতর অভিযোগ রয়েছে যে, তারা ওজু ভংগের কারণ শিখালেও ঈমান ভংগের কারণ শিখাতে পারছেন না কোন এক অজ্ঞাত কারণে। ফলে এই জামায়াতে আগত লোকেরা নিজেদের মধ্যে আলোচিত খুটিনাটি বিষয়কেই ইসলাম ভেবে এর পেছনে গোটা জীবনের মুল্যবান সময় অতিবাহতি করে দেয়, ঈমানের অন্যান্য আনুসাঙ্গীক ফরজীয়াতগুলো সম্পর্কে বেখবর থেকে যায়। যার কারণে অধিকাংশ লোকেরা তাবলীগের সময় দেওয়ার পরেও সমকালিন শিরক আর কুফরি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সম্বলিত শিক্ষা না পাওয়ার কারণে অজ্ঞাতসারে নিজেদের অন্তরে রক্ষিত বাতিলের প্রতি পুর্বের আকীদা বিশ্বাস বহন করে পথ চলেন আর ভাবেন এসব কিছু ঈমান আর আমলের তরক্কির প্রতিবন্ধক নয়। কেননা তাদের উসুলে বা বাতিলের সংজ্ঞায় সম-সাময়িক গোমরাহীর কোন আলোচণা হয় না বলেই চলে। ফলে তাগুতের অনুশারীরাও সাময়িক ফায়দার জন্য তাদের দারস্থ হয়ে থাকেন। নিজেদের হাজারো অপকর্মগুলো ঢাকার স্বার্থে নিজেদের জীবনে ধার্মীকতা কিছু রং মাখতে তারা তাবলীগ জামায়াতকে ব্যবহার করতে পারেন অনাশায়ে।
এই সমস্যা মুল কারণ হলো, প্রায় একই ধরণের বয়ান আর বিবৃতি প্রত্যেক দেশের জন্য বরাদ্ধ করে দেওয়া। অথচ আল্লাহ পাক তার রাসুল প্রেরণের নীতিমালায় স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন যে, তিনি প্রত্যেক জনপদের লোকদের কে ঈমানের দাওয়াত দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সমকালিন সব থেকে বড় বড় গোমরাহী সম্পর্কে সচেতণ করার জন্য আলাদা আলাদা করে নবী প্রেরন করেছেন। একেক অঞ্চলের উপযোগী দাওয়াতী বক্তব্য আর কর্মসূচী দিয়ে আম্বিয়াদেরকে প্রেরণ করেছেন। উদাহারণ হিসেব ধরুন- নুহ আ কে পাঠানো হলে তার যুগের সব থেকে বড় গোমরাহী মৃত বুজুর্গলোকদের নামে মুর্তি তৈরি করে তার পুজার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য। পাশাপাশি গোমরাহ নেতাদের আনুগত্য না করে তার আনুগত্য করতেও আহ্বান জানালেন দ্যার্থহীন্ ভাবে। সুরা মুমিনুনে এই বিষয়ে বিস্তারিত রয়েছে।
লূত আ কে প্রেরণ করা হলে কলেমার দাওয়াতের পাশাপাশি তিনি তার সময় কার প্রচলিত প্রধান গোমরাহী সমকামিতার বিরুদ্ধে চরম আওয়াজ তোলেন। শোয়াইব আ কে প্রেরণ করা হলে তিনি ওজনে কম দেওয়ার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেন। এ জন্য তাকে বিরাট ফেতনার মোকাবেলা করতে হয়েছে। তার সমাজে ডাকাতীর ঘটনা ছিলো নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। অবাধে খুন রাহাজানীও চলছিলো। তিনি এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে।
ফেরাউনের বিরুদ্ধে মূসা আ কে প্রেরণ করা হয় বনী ইসরাঈলকে মুক্ত করার অগ্রাধিকার দিয়ে। মূসা আ ঈমানের দাওয়াত দেওয়ার পাশাপাশি তাকে স্পষ্ট বলে দেন বনী ইসরাঈল কে আমার সাথে দিয়ে দাও। ফেরাউন এ কাজে স্বৈরাচারের ভূমিকায় অবর্তিণ হয়। মূসা আ এর দাওয়াতের ভিতর সে তার সাম্রাজ্যের পতণ দেখতে পেয়ে তার ওমরাহদের কে বলেছিলো-আমি আশংকা করছি সে আমাদের জীবন ব্যবস্থা বদলে দেবে অথবা দেশে বিপর্যয় সৃষ্টি করে দেবে- সূরা আল মুমিন-২৬।
এসব ঘটনাবলী কিন্তু কোরআনেই রয়েছে। এসব থেকে এই সবক পাওয়া যায় যে, দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ হলো নবীওয়ালা জিম্মাদারী। অতএবর সকল ভয়ভীতির উদ্ধে উঠে নবীদের মতো দায়িত্ব্য পালণ করতে হবে। সমকালিন কুফরী আর গোমরাহীর বিরুদ্ধে আওয়াজ উত্থিত করে তার বিরুদ্ধে লোক সকল কে হুশিয়ার করাই নবীওয়ালা কাজ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তাবলীগ জামায়াতের অনেক সাথীও বলতে পারেন না সমকালিন জগতে সব থেকে সর্বনাশা ফেতনা কোনটি যা সাধারণ মানুষকে ঈমানের বিপরিত পথে নিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থার কারনেই প্রশ্নে উল্লিখত উদাহারণের সম্মুক্ষিন হতে হচ্ছে। এ অবস্থা এক প্রকার ফেতনার মতোই। লোকজন ভাবে সে শরীয়াত প্রদত্ত দায়িত্ব্য পালণ করছে কিন্তু সে সত্যিই পথ হাড়ার মতো আচরণ করছে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা বলেন, নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়া সত্বেও অনেক লোক সত্য পর্যন্ত পৌছতে পারে না।
পরবর্তি প্রশ্ন হলো-
প্রচলিত ইলিয়াস (রহ) এর দেখানো তাবলীগের সাথে সমসামিয়ক ইসলামী রাজনীতির মৌলিক পার্থক্য কি ? ইসলামী রাজনীতি বলতে জামায়াত ইসলামীই নয়, সকল হক্কানী দলের বৈশিষ্টের কথাই বলা হচ্ছে। (সাথেই থাকুন, পারলে শেয়ার করুন। যুক্তি সংগত ভূলগুলো শুধরে নিতে সহায়তা করুন।)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন